Kalikapatari folk art receives fresh lease of life, courtesy Lok Prasar Prakalpa

The Lok Prasar Prakalpa, a brainchild of Chief Minister Mamata Banerjee, has helped immensely in reviving folk culture in Bengal. One of the project’s beneficiaries is the folk art of Howrah district, known as Kalikapatari.

This folk theatre is indigenous to Howrah district, specially Shyampur, where it has received a fresh lease of life, thanks to the State Government scheme. A mixture of acting and dancing, this art form tells stories from the Puranas and the epics.

Currently there are three groups, comprising a total of 50 artistes, that perform Kalikapatari in Shyampur, and they are thriving. Each of the three groups consists of 15 to 20 people. The artistes receive regular stipends and also get invited to perform in various places.

It may be mentioned that, at present, 1.94 lakh folk artistes are registered under the Lok Prasar Prakalpa, and receive monthly stipends from the Government. They also perform at various Government functions.

 

কালিকাপাতাড়ি শিল্পীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে রাজ্য

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে লোকপ্রসার শিল্পের মাধ্যমে লোকশিল্পীদের পুনরুজ্জীবনের ফলে রাজ্যের হারিয়ে যাওয়া বহুপ্রাচীন লোকশিল্প প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। যেমন হাওড়া জেলার প্রাচীন লোকশিল্প ‘কালিকাপাতাড়ি’।

এই লোকশিল্পের মাধ্যমে প্রাচীন পৌরাণিক কাহিনীকে যেভাবে জীবন্ত করে তোলা হয়, তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। হাওড়া জেলার এই প্রাচীন শিল্প জনপ্রিয় হলেও বাম সরকারের অবহেলায় এই শিল্প ক্রমে হারিয়ে যেতে বসেছিল। এমনকি এই পেশায় জড়িত শিল্পীরা এই পেশা থেকে মুখ ঘুরিয়েছিল।

রাজ্যের পালাবদলের ফলে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে লোকপ্রসার শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের মাসিক ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন শিল্পীরা। জেলার এই প্রাচীন লোকশিল্পে একমাত্র শ্যামপুরের শিল্পীরাই যুক্ত আছে।

বর্তমানে শ্যামপুরে ৩টি দলে ৫০ জন শিল্পী আছে। এক একটি দোলে ১৫ থেকে ২০ জন করে শিল্পী প্রাচীন এই শিল্পে অভিনয় করেন। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে কালিকাপাতাড়ি শিল্পীরা নতুন উৎসাহে অনুষ্ঠান করছে এবং আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।

 

Bengal Govt to launch book about birds in the Sundarbans

The State Forest Department is coming up with a comprehensive guide containing information on, and pictures of, birds in the Sundarbans. This is the first time that such a book is being brought out by the Government.

The Sundarbans is famous for its wildlife, especially tigers and crocodiles. But it also has a huge treasure of avian life. The book would help to bring that into focus.

Through this venture, the Government hopes to increase awareness about the various types of birds that inhabit the forests of the delta, which is a UNESCO World Heritage Site referred to by the name Sundarbans Biosphere Reserve (SBR). This guide would in turn help attract more tourists to the region, especially bird-watchers.

Dominant In the region are osprey, brahminy kite and white-bellied sea eagle, while the rose-ringed parakeet, flycatcher and warbler are found in the middle and the lower tiers of the forested areas. The water-loving kingfisher abounds too.

Officials and experts working in the SBR believe that the bird variety in the mangroves consists of over 500 species, at least 55 of which are migratory ones.

 

সুন্দরবনের পাখিদের নিয়ে বই প্রকাশ করবে বন দপ্তর

সুন্দরবন অঞ্চলের সমস্ত পাখিদের সচিত্র বিবরণ সংকলিত একটি বই প্রকাশ করতে চলেছে রাজ্য বন দপ্তর। রাজ্য সরকারের তরফে এই রকম উদ্যোগ এই প্রথম।

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিশ্ব বিখ্যাত সুন্দরবন। কিন্তু এই ম্যানগ্রোভ বনে যে লুকিয়ে আছে নানা প্রজাতির পাখির সম্ভার, তা দেশী ও বিদেশী পর্যটকের কাছে তুলে ধরতেই এই বই প্রকাশিত করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে সুন্দরবন সম্বন্ধে পর্যটকদের অনেকটাই ধারণা বদলাবে।

বন দপ্তরের আধিকারিকরা এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাথে যৌথ উদ্যোগে এই কাজ করছে। কোন অঞ্চলে কোন পাখিরা আসে তা চিনিয়ে দিতে সাহায্য করছেন স্থানীয় মানুষরা। সুমিত সেন, দেশের অন্যতম সেরা পক্ষিবিদ, পাখিদের ছবি তুলেছেন বইটির জন্য।

খুব শীঘ্রই এই বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে। সুন্দরবনে অনুষ্ঠিত হতে চলা বনবান্ধব মেলায় বনমন্ত্রীর হাতে এই বইটির প্রকাশ হবে।

Source: Millennium Post

 

Bengal Govt’s training programme to empower rural women

The State Panchayat and Fisheries Departments have come together to develop a training programme for empowering rural women.

The women would be trained on how to cut fish and pack it in a ready-to-cook form by the Fisheries Department. The Panchayat Department would help in getting access and selecting the women.

For a start, 700 women from three districts – Hooghly, North 24 Parganas and Purba Medinipur – would be given the training.

In Dhanekhali in Hooghly, 126 women are being trained already. Another 126 women are being trained to cultivate fish. In North 24 Parganas, 63 women are being trained in fish processing, 73 in preparation of fish-based food and 99 in fish cultivation.

In the next phase, training programmes would be taken up in ten more districts of Uttar Dinajpur, Dakshin Dinajpur, Birbhum, Malda, Murshidabad, Cooch Behar, Jalpaiguri, Alipurduar, Nadia and South 24 Parganas.

To enable the women and self-help groups to take up the work on a commercial scale after training, the State Government would provide them help through the Anandadhara Scheme.

 

গ্রামের মহিলাদের স্বনির্ভর করতে গাঁটছড়া বাঁধল পঞ্চায়েত-মৎস্য দপ্তর

গ্রামের মহিলাদের স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে এবার হাত মেলালো পঞ্চায়েত ও মৎস্য দপ্তর। মাছ কাটা থেকে শুরু করে তাকে প্যাকেটজাত করা এবং ‘রেডি টু কুক’ কীভাবে করবেন সে বিষয়ে শীঘ্র প্রশিক্ষণ দেবে মৎস্য দপ্তর। পরের ধাপে কীভাবে সেই কাজের মাধ্যমে গ্রামের মহিলারা স্বনির্ভর হয়ে উঠবেন, ‘আনন্দধারা’ প্রকল্পের আওতায় সেই দিশা দেবে পঞ্চায়েত দপ্তর। আপাতত তিন জেলায় এই প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে। পড়ে সব জেলাতেই এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মোট ৭০০ জনকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

এর ফলে মৎস্য দপ্তরের মাছের ফিলের চাহিদাও যেমন খানিকটা পূরণ হবে, পাশাপাশি তারা স্বনির্ভর হতে পারবেন। ধনেখালিতে এই প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। হুগলী জেলায় ১২৬ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আরও ১২৬ জনকে মাছ চাষের বিভিন্ন পদ্ধতি শেখানো হবে। হুগলী ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

উত্তর ২৪ পরগনায় মোট ৬৩ জনকে ফিশ প্রসেসিং ইউনিটে, ৭৩ জনকে প্রিপারেশন অফ ফিশ বেসড ফুড তৈরীতে ও ৯৯ জনকে মৎস্য চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এর পরের পর্যায়ে দুই দিনাজপুর, বীরভূম, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, নদীয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অন্তত পাঁচ হাজার মহিলাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই কাজের জন্য মহিলাদের বা স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা করা হবে আনন্দধারা প্রকল্পে। আপাতত ধনেখালিতে প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর ১৫ দিন অন্তর ৫০ টন করে মাছ পাঠানো হবে। এর ফলে তাঁদের দৈনিক ৫০০ টাকা আয়ের সুযোগ তৈরী হবে।

 

Bengal Govt to come up with ‘water budget’ for agriculture and industry

To further augment the progress of the agriculture and industry sectors, the Bengal Government has decided to create a ‘water budget’, arrived at by calculating the block-wise requirements of water for various activities related to the two sectors.

Scientists of IIT Kharagpur will assist the Government. Technology, such as satellite imaging, will be used to ascertain the amount of groundwater, as well as underground water, at any place.

The water budget includes listing of the amount of water resources available. According to a senior State Government official, there is no central database where this information can be accessed. Hence, the need for such a database.

The official pointed out that 7,966 crore square metres of water is available annually in the State, whereas the demand has already crossed 9,100 crore square metres. Moreover, in 33 blocks, the level of underground water had fallen to dangerous levels.

According to the official, there are two ways to increase the pace of industrial growth through a water budget: firstly, where there is less water available, to encourage the setting up of industries that require less water, and secondly, to optimise the requirement of water through the introduction of technology and rationalisation.

 

কৃষি -শিল্প উন্নয়নে রাজ্যে ব্লক-ভিত্তিক জল বাজেট

রাজ্যে শিল্পায়নে গতি আনতে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়াতে ব্লক-ভিত্তিক জলের বাজেট তৈরী করছে রাজ্য সরকার৷ কৃষি ও শিল্প – উভয় ক্ষেত্রের বিকাশেই জল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়৷

রাজ্যের জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর এই কাজে বিশেষজ্ঞ হিসাবে আইআইটি-খড়গপুর-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে৷ তারাই তৈরী করবে ওই কার্য পরিকল্পনা৷ জল সংক্রান্ত সমস্ত দপ্তরের থেকে তথ্য নিয়ে তা বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরী করা হবে৷ ভূগর্ভস্থ জলস্তর কোথায় কী অবস্থায় রয়েছে, তা জানতে উপগ্রহ থেকে ছবিও তোলা হবে৷

রাজ্য প্রশাসনের এক অধিকর্তা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ব্লক-ভিত্তিক জল বাজেট তৈরী-যেখানে বলা থাকবে, জলের সূত্র, মোট সরবরাহ ও চাহিদার পরিমাণ৷ বর্তমানে রাজ্যে জল সংক্রান্ত কোনও কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডার নেই৷ এই প্রকল্পে সেই কাজই করা হবে৷ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্টটি তৈরী হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি৷’

পশ্চিমবঙ্গের ৩৩টি ব্লকে ভূগর্ভস্থ জলস্তর আংশিক বিপজ্জনক অবস্থায় চলে গিয়েছে৷ রাজ্য সরকারের এক আধিকারিকের কথায়, ‘পশ্চিমবঙ্গে বছরে মোট ৭,৯৬৬ কোটি বর্গ মিটার জল মেলে৷ সেখানে চাহিদার পরিমাণ ৯১০০ কোটি বর্গ মিটার ছাড়িয়ে গিয়েছে৷

তিনি আরও বলেন, ‘দু’ভাবে জল বাজেট দিয়ে শিল্পায়নের গতি বাড়ানো সম্ভব৷ প্রথমত, যেখানে জলের অভাব সেখানে কম জল প্রয়োজন এমন শিল্প গড়া যেতে পারে৷ অন্য দিকে, ধরা যাক দুটি বিদ্যুত্ ইউনিট রয়েছে, যার একটিতে দিনে ১০০০ গ্যালন জল লাগে এবং অন্যটিতে লাগে তার পাঁচগুণ৷ সে ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ইউনিটটিকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলের চাহিদা কমানোর জন্য তখনই বলা সম্ভব, যখন আমাদের হাতে গোটা রাজ্যের ব্লক-ভিত্তিক একটি জলের বাজেট থাকবে৷ ’

 

Our actions speak louder than words: Mamata Banerjee at Debra

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today addressed a public meeting at Debra in Paschim Medinipur district. She inaugurated and laid the foundations stones for a series of schemes and projects.

The projects that were inaugurated include, primary health centres, Anganwadi centres, irrigation projects, new roads, bridges etc. She also laid the foundations stones for hostels, water supply projects, upgradation of central nursery among others.

She also distributed benefits of various schemes like Kanyashree, Sabuj Shree, Siksha Shree, Anandadhara, Sabuj Sathi etc.

Highlights of her speech:

We must protect our farmers. We must love them. Earlier they were neglected, even after devastating floods. We have compensated nearly 30 lakh farmer families. Compensation worth Rs 1200 crore have been paid.

Centre does not give us funds. They take away the revenue collected by us. They are supposed to pay us 60% but we get only 40%. That too, is often not paid. We don’t want their alms. We want the money they owe us. Why should Bengal be neglected?

We are paying off the installments for the debt incurred by the previous government. We have paid Rs 48,000 crore as installments this year. No other State runs so many welfare schemes, despite such financial constraints.

Bengal is the only State which waived off tax on agricultural land and mutation fee on agricultural land. Farmers’ income has doubled in Bengal. We have received Krishi Karman award five years in a row.

We are No. 1 in 100 Days’ work, rural employment, Bangla Abas Yojana, Skill Development, MSME.

Jadavpur University is No. 1 among 21 State universities. This is a new feather in Bengal’s cap.

We have set up 43 multi super speciality hospitals in six years. Centre is planning to launch health insurance scheme now. We already have free healthcare at government hospitals. We are running the ‘Swasthya Sathi’ scheme successfully. ICDS, Asha, civic volunteers, home guards, contractual workers, green police, panchayat and municipal workers have been brought under this scheme.

We provide rice at Rs 2/kg to 8.5 crore people. Adivasis in Jangalmahal receive 35 kg rice, tea garden workers get rice at 47 paise per kg.

We have set up critical care units, trauma care units, mother and child hubs. 80 SNCUs and 300 SNSUs have been set up. We have launched Matri Jaan and Nischay Jaan for pregnant women, new mothers and neonates. 1000 Matri Jaans have been launched across Bengal.

We have launched the social security scheme for construction workers, housemaids, auto drivers, workers in the unorganised sector. They will have to pay Rs 25 and the government will pay Rs 30. At the age of 60 they will receive Rs 2 lakh, along with pension.

Girls recieve Rs 25,000 at the age of 18 to pursue higher education. From April we are launching the ‘Ruposhree’ scheme. Government will give Rs 25,000 to families with annual income less than Rs 1.5 lakh to assist in their daughter’s wedding. Girls are our pride.

We have increased Kanyashree stipend to Rs 1000. We have launched K-3 for university students. They will receive Rs 2000 for studying humanities, and Rs 2500 for studying science.

We have given scholarships to 1.7 lakh minority students, 57 lakh SC/ST students and 45 lakh girls. We have started a pension scheme for the physically handicapped.

Farmers’ pension has been increased from Rs 750 to Rs 1000. 1.94 lakh folk artistes have been registered under Lok Prasar scheme and they receive monthly stipend of Rs 1000. They also perform at government functions.

The government has stopped 90% funds for the ICDS scheme, yet we are running this project with our own funds.

The term of contractual and casual workers has been increased till 60 years of age.

70 lakh students of Classes IX-XII have been given free cycles. We also provide free uniform, free test papers to students. My best wishes to all those who are appearing for board exams.

I urge everyone to celebrate Ram Nabami peacefully. Celebrate Annapura Pujo, Basanti Pujo. Good Friday is around the corner, so is Mahavir Jayanti. We must ensure that the politics of religion should not hurt people of other faiths.

We were, we are and we will always be with the people. Maa-Mati-Manush are our biggest strength.

Medinipur is the district that produced Bir Singha, Matangini Hazra, Satish Samanta. You lead the way for other districts of Bengal.

Our actions speak louder than words. Others only beat their own drums and try to incite tension between different religions.

 

আমরা কথা কম বলি, কাজ বেশী করি: মুখ্যমন্ত্রী  

আজ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরায় পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন।

মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প, নতুন রাস্তা, খালের ওপর সেতু ইত্যাদি।

তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, ছাত্রাবাস, জল সরবরাহ প্রকল্প, সেন্ট্রাল নার্সারির সম্প্রসারন  ইত্যাদি। এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজশ্রী, শিক্ষাশ্রী, সবুজসাথী, আনন্দধারা ইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-

কৃষকদের রক্ষা করতে হবে, তাদের ভালবাসতে হবে। আগে বন্যায় জমির ক্ষতি হলে সরকার তাকিয়েও দেখত না। আমরা ৩০ লক্ষ কৃষক পরিবারকে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছি

কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের প্রাপ্য টাকা টুকুও দেয় না। রাজ্য থেকে যে কর কেন্দ্র আদায় করে নিয়ে যায় সেই টাকা থেকে থেকে ৬০% রাজ্যকে দেওয়ার কথা কিন্তু ওরা ৪০% দেয়। তাও ঠিক করে দেয় না। কোনরকম দয়া নয়, আমাদের টাকাই আমাদের দেওয়ার কথা। তাও বাংলা কেন বঞ্চিত হবে?

আগের সরকারের দেনা শোধ করতে হচ্ছে। এ বছরও ৪৮ হাজার কোটি টাকা দেনা শোধ করেছি। এত দেনা শোধ করে কেউ যদি এত সরকারী প্রকল্প করতে পারে তাহলে আমি মাথা নত করে নেব। বাংলায় যত প্রকল্প আছে সারা ভারতের কোথাও নেই।

একমাত্র বাংলায় কৃষকদের কৃষিজমির খাজনা মুকুব করে দেওয়া হয়েছে।কৃষিজমির মিউটেশন ফি দিতে হয় না। বাংলায় কৃষকদের রোজগার দ্বিগুন হয়েছে। বাংলা পরপর ৫ বছর ‘কৃষি কর্মন’ পুরস্কার পেয়েছে।

১০০ দিনের কাজে সারা ভারতের মধ্যে এক নম্বরে বাংলা। ও এমএসএমই তেও বাংলা এক নম্বরে।

২১ টি স্টেট ইউনিভার্সিটির মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ১ নম্বরে। বাংলার মুকুটে আরও একটা পালক যোগ হল।

৬ বছরে ৪৩ টি মাল্টি সুপার স্পেশ্যালিটি হসপিটাল নির্মাণ করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় সরকার এখন স্বাস্থ্যবীমা করছে। আর বাংলায় ইতিমধ্যেই বিনামূল্যে সরকারী চিকিৎসা পাওয়া যায়। আমরা ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্প চালু করেছি। আইসিডিএস ও আশার কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার, হোম গার্ড, অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মী, গ্রিন পুলিশ, পঞ্চায়েত ও মিউনিসিপালিটি কর্মী দের ও এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

সাড়ে ৮ কোটি লোককে আমরা ২ টাকা কিলো চাল দিই। জঙ্গলমহলে আদিবাসীরা ৩৫ কেজি চাল পায়, চা বাগানের শ্রমিকরা ৪৭ পয়সায় এক কেজি চাল পায়।

ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট, ট্রমা কেয়ার ইউনিট, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব তৈরী করা হয়েছে। ৮০ টি SNCU ও ৩০০ টি SNSU তৈরি করা হয়েছে। গর্ভবতী মহিলা ও সদ্যজাত শিশুদের জন্য ‘নিশ্চয় যান’ ও ‘মাতৃযান’ এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলায় ১০০০ মাতৃযান দেওয়া হয়েছে।

যারা কন্সট্রাকশানের কাজ করেন,  গৃহস্থালিরর কাজ করেন,  অটো চালক সহ অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক দের জন্য ‘সামাজিক সুরক্ষা’ প্রকল্প চালু করা হয়েছে (১৮ বছর বয়সে একটি কার্ড করতে হয়। শ্রমিকরা দেয় ২৫ টাকা আর সরকার দেয় ৩০ টাকা) ৬০ বছর বয়সের পর সরকার তাদের ২ লক্ষ টাকা দেবে এবং সাথে তারা পেনশনও পাবেন।

‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় মেয়েদের পড়াশোনার জন্য ২৫০০০ টাকা দেওয়া হয়। আগামী এপ্রিল থেকে একটি নতুন প্রকল্প চালু হবে যার নাম

‘রূপশ্রী’। যে সব পরিবারের বার্ষিক ইনকাম দেড় লক্ষ টাকার কম তাদের মেয়েদের বিবাহের জন্য (১৮ বছর বয়সের পর) সরকার ২৫০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেবে। মা বোনেরা সমাজের সম্পদ। তারা আমাদের গর্ব।

‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্পের ভাতা ৭৫০ টাকা থেকে বারিয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। কন্যাশ্রী-১ ও কন্যাশ্রী-২ এর পর কন্যাশ্রী-৩ চালু করা হয়েছে এর মাধ্যমে মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবে। ‘শিক্ষাশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় উচ্চ শিক্ষার জন্য স্কলারশিপ দিচ্ছে সরকার।

১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু ছেলেমেয়ে, ৫৭ লক্ষ তপসিলি জাতি ও উপজাতি ছেলেমেয়ে ও ৪৫ লক্ষ মেয়েকে স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রতিবন্ধীদের জন্যও প্রকল্প চালু করেছি।

কৃষক ভাতা ৭৫০ টাকা থেকে বারিয়ে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। ১ লক্ষ ৯৪ হাজার শিল্পীকে ‘লোকপ্রসার’ প্রকল্পের আওতায় মাসে ১০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়, পাশাপাশি সরকারী বিজ্ঞাপন ও অনুষ্ঠানেও কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয় তাদের।

আইসিডিএস-এর ৯০% টাকা দিল্লী সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা কষ্ট করে এই স্কিম চালিয়ে যাচ্ছি।

ক্যাসুয়াল ও কন্ট্রাকচুয়াল ওয়ার্কারদের চাকরির মেয়াদ ৬০ বছর পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছে।

ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস ৯-এ উঠলেই সবুজ সাথীর সাইকেল পাচ্ছে, এর আগে ক্লাস ১০, ১১, ১২-এ দিয়েছি। এছাড়া বিনা পয়সায় পড়াশোনা, স্কুল ড্রেস, মাধ্যমিকের ছাত্রছাত্রীদের বিনা পয়সায় টেস্ট পেপারও দেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের জন্য আমার অনেক অভিনন্দন রইল।

সবাই সুন্দর করে রামনবমী পালন করুন। অন্নপূর্ণা উৎসব পালন করুন। বাসন্তী পুজো পালন করুন। গুড ফ্রাইডে, মহাবীর জয়ন্তীও ভালো করে পালন করুন। রাজনীতির নাম করে ধর্মীয় উন্মাদনা নিয়ে কোনও মানুষ যেন কাউকে আঘাত না করতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

আমরা মানুষের সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো। মা মাটি মানুষ আমাদের বড় শক্তি।

মেদিনীপুর জেলা স্বাধীনতা সংগ্রামের জেলা, বীর সিংহের জেলা, মাতঙ্গিনী হাজরার জেলা, সতীশ সামন্তর জেলা। আপনারা বাংলাকে পথ দেখান।

আমরা কথা কম বলি, কাজ বেশী করি। অনেকে কাজ করে না, মন্দির মসজিদ নিয়ে গণ্ডগোল লাগায়, হিন্দু-মুসলিম, শিখ-খৃষ্টানের মধ্যে ঝগড়া লাগিয়ে দেয়।

 

Bengal Govt to launch four-day awareness campaign today

A statewide four-day-long special campaign will be carried out from March 21 to 24 using digital means of communication to make people at the grassroots level aware of the projects and schemes being run by the Chief Minister Mamata Banerjee-led Trinamool Congress Government. It will be flagged off at 5 PM today.

The campaign, ‘Manusher Sathe – Maa, Mati, Manusher Sarkar’, is the first instance of the State Government taking up such a huge project to create awareness among people at all levels, down to the panchayats, and across the state.

As part of the campaign, 50 tableaus will travel around the state to create awareness. The 50 tableaus include two from each district, apart from Kolkata, totalling 44, and the remaining six will be digital tableaus.

The two tableaus from each district will have artistes who are enrolled under the Lok Prasar Prakalpa. The tableaus will be stopping at crucial locations and the artistes will be performing on them. They will be performing on the trucks through which they would also make the people aware about the other schemes of the government.

The six digital tableaus will be fitted with digital screens on all its sides and video clippings will be shown through them, highlighting the benefits of the State Government’s premier projects including Kanyashree, Khadya Sathi, Sabuj Sathi and Rupashree.

Besides the mobile tableaus, there will also be programmes in auditoriums in the respective district headquarters. In Kolkata, there will be a programme at Ektara Mukta Mancha, situated in the premises of Rabindra Sadan, from the evening of March 21 to March 23. There will also be digital exhibitions in and around the auditoriums where the programmes will take place in the district headquarters, wherein LED screens will play video clippings on State Government projects.

ছ’বছরের উন্নয়নের প্রচারে মা-মাটি-মানুষের সরকার

গত ছ’বছরে পঞ্চায়েত স্তরে সরকারের কাজ নিয়ে ব্যাপক প্রচারের নির্ঘণ্ট তৈরী করেছে রাজ্য সরকার। চলতি মাসে সব জেলায় তিন দিন ব্যাপী এই প্রচারের মূল স্লোগান —‘মানুষের সঙ্গে মা-মাটি-মানুষের সরকার’।

নবান্ন সূত্রের খবর, ১৫টি জেলায় ২১-২৩ মার্চ এই কর্মসূচী চলবে। ২২-২৪ মার্চ অনুষ্ঠান হবে বাকি আটটি জেলায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জেলার মূল এলাকায় (যেখানে জনসমাগম সবচেয়ে বেশি) প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সাফল্য দেখানো হবে ‘জায়েন্ট স্ক্রিনে’। এ জন্য তৈরী করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্র। বিকেল ৩টে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ওই অনুষ্ঠানের খবর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পৃথক ব্র্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থাও করেছে রাজ্য। স্থানীয় কেবল টিভি সংস্থাগুলিকে এই প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে।

কলকাতার প্রতিষ্ঠিত অন্তত ১৫০ জন শিল্পী জেলায় জেলায় গিয়ে অনুষ্ঠান করবেন। থাকবেন জেলার শিল্পী, লোকপ্রসার প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত লোকশিল্পীরাও। প্রধানত ঘেরা এলাকায় প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। শব্দবিধি মানার ব্যাপারেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাগুলিকে।’

প্রতিটি মহকুমায় একটি বিশেষ ট্যাবলো প্রতিটি এলাকায় ঘুরে ঘুরে সরকারি সাফল্যের প্রচার চালাবে। দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ট্যাবলোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, গোটা রাজ্যে ছ’টি এলইডি ট্যাবলো ঘোরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মূল প্রদর্শনীর অডিও-ভিস্যুয়াল উপস্থাপনাও ট্যাবলোয় দেখানো হবে।

শুধু সাফল্য প্রচারই নয়, সূত্রের খবর, প্রতিটি জেলার প্রদর্শনীতে একটি করে ‘ইনফর্মেশন কিয়স্ক’ রাখা হবে। সেখানে থাকবেন জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকেরা।

সরকারের প্রকল্প, তার সুবিধা, কী ভাবে সেই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা যায়—এই সব তথ্য যে কেউ জানতে পারবেন কিয়স্ক থেকে। এক আধিকারিক বলেন,“কেউ চাইলে প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার কোনও সমস্যার কথাও জানাতে পারবেন। তাঁকে ঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করা হবে সঙ্গে সঙ্গেই।”

Source: Millennium Post

Co-operation Dept to develop 23 modern storage facilities

In a bid to increase the storage capacity of food grains in Bengal, the state Co-operation department has decided to develop 23 modern storage facilities in the districts.

The step has been taken following directions and vision of Chief Minister Mamata Banerjee to strengthen the cooperative infrastructure that will ensure increase in storage capacity of food grains.

The 23 store houses will be developed at a cost of Rs 240 crore and each of the store houses will be of a capacity of 10,000 metric tonne. So with construction of the store houses by the cooperation department, there will be an increase in the storage capacity by 2.30 lakh metric tonne.

The store houses will be developed on the land owned by the department and there would be requirement of around three acres to set up each of the store houses. The land will also be identified soon.

The state co-operation department has also set a target of procuring 30 lakh metric tonne paddy through co-operative societies in the current procurement year and a seminar was recently held at Netaji Indoor Stadium in this regard in which the Chief Minister had directed to take measures to create the necessary infrastructure.

At the same time, as many as 17 more store houses will be set up by the state Food and Supplies department. NABARD is giving the amount to the state government as loan to set up the store houses under the Warehousing Infrastructure Fund of the Rural Infrastructure Development Fund (RIDF).

It may be mentioned that the storage capacity of food grains is 62,000 metric tonne in 2010-11. At present, it has increased to around 6.10 lakh metric tonne with several steps being taken by the state government in the past six years that will further increase with the setting up of the upcoming store houses.

 

রাজ্যে তৈরী হবে আরও ২৩টি গুদামঘর

জেলায় জেলায় ২৩টি অত্যাধুনিক গুদাম তৈরীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সমবায় দপ্তর। রাজ্যে খাদ্যশস্য ঘাটতি মেটানোর যে প্রচেষ্টা শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি গুদামের ধারন ক্ষমতা হবে ১০০০০ মেট্রিক টন। সুতরাং ২৩টি গুদামঘর নির্মাণ সম্পন্ন হলে, রাজ্যে গুদামের ক্ষমতা আরও ২.৩ লক্ষ মেট্রিক টন বাড়বে।
রাজ্য সমবায় দপ্তরের লক্ষ্য চলতি বছরে সমবায়ের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের। সম্প্রতি এই উদ্দেশ্যে নেতাজী ইনডোর স্টেডিয়ামে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি আরও ১৭টি গুদাম নির্মাণ করবে খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর।

প্রসঙ্গত, ২০১০-১১ সালে রাজ্যের গুদামে খাদ্যশস্য রাখার ক্ষমতা ছিল ৬২০০০ মেট্রিক টন। বর্তমানে সেই ক্ষমতা বেড়ে ৬.১০ লক্ষ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। ভবিষ্যতে এই ক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে রাজ্য সরকারের সহায়তায়।

Food made by correctional home inmates to be sold by SFDC

In a novel move, the Bengal Government has decided to make food made by inmates of correctional homes in the State available at the State secretariat, Nabanna, and at entertainment hotspots like Eco Park and Nalban.

This project will be jointly run by the Departments of correctional administration and fisheries. The latter would supply the raw materials and provide the culinary training.

The Fisheries Department will train a few selected inmates in the cultivation of fish at various water bodies, both inside as well as outside the correction homes.

The food will be made available through the outlets of the State Fish Development Corporation (SFDC) as well as sold via food vans. The menu will include delicious items like pabdar jhal, dab chingri, tel koi, bhetki paturi, fish fry, fish finger, fish pakoda, fish batter fry, fish biryani, among other items.

The venture will initially be initiated through a pilot project involving the inmates of Dum Dum Central Correctional Home and then replicated at other homes.

 

শহরের পথে নিজেদের রান্না করা পোলাও, বিরিয়ানি, চাইনিজ খাবার ফেরি করবে বন্দিরা

কয়েদিরাই এবার রাস্তায় নেমে নিজেদের হাতে তৈরী রান্না খাবার বিক্রি করবে। চলতি মাসেই এর জন্য দমদম সংশোধনাগারে রান্নার বিশেষ প্রশিক্ষণও শুরু হচ্ছে। কারামন্ত্রী বলেন, মৎস্য দপ্তরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই কাজ করা হচ্ছে। কয়েদিরা নিজেদের সাজা সম্পূর্ণ করে সমাজে গিয়ে যাতে সমাজের মূল স্রোতে ফেরে, সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

কারা দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দমদম সংশোধনাগারে একটি বড় ক্যান্টিন আছে। সেখানে প্রতিদিন প্রায় তিন-সাড়ে তিন হাজার জনের রান্না হয়। কয়েদিরাই সেই রান্না করে থাকে। এখন ভাত-ডাল-তরকারি ছেড়ে, তাদের দিয়ে বিভিন্ন পদের রান্না করানো হবে। আর সেই খাবারই রাস্তায় নেমে প্রতিদিন বিক্রী করবে দুই আসামি।

রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগম থেকে জানানো হয়েছে, দমদম সংশোধনাগারের ক্যান্টিনে আসামিদের কন্টিনেন্টাল থেকে পোলাও, বিরিয়ানি, চাউমিন, মোগলাই সব রান্নাই শেখানো হবে। আপাতত ২৪ জনকে এই রান্না শেখানো হবে। প্রথমে সাজাপ্রাপ্ত অনেককে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তার পরে তাদের মধ্যে থেকে যারা ভালো রান্না করতে পারবে, তাদের বাছাই করাহবে। তারাই রাস্তায় নেমে খাবার দেশি-বিদেশি খাবার বিক্রি করবে।

নিগমের অধিকর্তা বলেন, তাঁদের রেস্তোরাঁয় প্রতিদিন খাবারের প্রচুর চাহিদা থাকে। কিন্তু, সেই তুলনায় পর্যাপ্ত রাঁধুনি নেই। তাই দমদমের কয়েদিদের দিয়ে তাদেরই ক্যান্টিনে রান্না করানো হবে। সেই খাবার নিগমের রেস্তোরাঁয় বিক্রি করা হবে। যে খাবার অবশিষ্ট থাকবে, তা আবার রাস্তায় ঘুরে বিক্রি করবে সেই কয়েদিরা। এর জন্য নিগমের পক্ষ থেকে একটি গাড়ির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই গাড়িতেই ঘুরেঘুরে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় আসামিরা ওই খাবার বিক্রী করবে।

কারা দপ্তরের এক অধিকর্তা জানান, প্রতিদিন দু’জন করে আসামি রাস্তায় বেরিয়ে এই খাবার বিক্রি করবে। আপাতত ঠিক হয়েছে, এয়ারপোর্ট ১নং থেকে নাগেরবাজার, লেকটাউন, দমদম পার্ক, বাগুইআটি থেকে দমদম স্টেশন, সিঁথি, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত এলাকায় ঘুরেঘুরে তারা এই খাবার বিক্রী করবে। এর জন্য ডেইলি পে-রোলে দু’জনকে প্রতিদিন সংশোধনাগার থেকে ছাড়া হবে। নিরাপত্তার জন্য তিনজন করে পুলিসকর্মী থাকবেন।

এপ্রিল থেকেই এই প্রকল্প শুরু করতে চাইছে দুই দপ্তরই।

 

Construction of bridge over Muriganga to begin this year

The Mamata Banerjee-led Bengal Government is undertaking yet another initiative to connect Sagar Island with the mainland. A 3-km long bridge over Muriganga river will be constructed soon. The DPR (detailed project report) is currently being prepared, and construction work will begin later this year.

The bridge will be built by the National Highway Infrastructure Development Corporation. The Public Works Department of the State will extend all help and cooperation.

Two approach roads (2-km long each) will be constructed on either side of the bridge. The entire length of the bridge – from Lot Number 8 till Kochuberia – will be around 5 km. The total cost of the project will be Rs 3,000 crore.

Normally, during high tide, it takes 5-6 hours to reach Sagar Island from Babu Ghat near Dharmatala. The journey takes much longer during low tide, as ferries or barges cannot navigate during that time. The bridge will bring down journey time to 3 hours.

 

মুড়িগঙ্গার ওপর সেতু তৈরীর কাজ শুরু এবছরেই

সাগরদ্বীপকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে মুড়িগঙ্গার ওপর ৩ কিঃমিঃ সেতু তৈরীর কাজের ডিপিআর তৈরীর কাজ শুরু হল। সেতু তৈরীর কাজ শুরু হবে এবছরেই। ন্যাশানাল হাইওয়ে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড এই নির্মাণের দায়িত্বে আছে। এই সংস্থাকে সবরকম সাহায্য করবে পূর্তদপ্তর।

এই সেতুর দুই মুখে অ্যাপ্রোচ রোড তৈরী হবে প্রায় ২ কিঃমিঃ। সব মিলিয়ে লট নাম্বার ৮ থেকে কচুবেড়িয়া পর্যন্ত সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৫ কিঃমিঃ। প্রকল্পে মোট খরচ হবে ৩০০০ কোটি টাকা। জোয়ারের সময় ধর্মতলা থেকে সাগর পৌঁছতে লাগে ৫/৬ ঘণ্টা, ভাঁটার সময় কোনও সময়ের ঠিক থাকে না। কারন ভাঁটার সময় বার্জ বা ফেরি কিছুই চলাচল করতে পারে না। এই সেতু তৈরী হলে সড়কপথে ধর্মতলা থেকে সাগর পৌঁছতে লাগবে ৩ ঘণ্টা।

Bengal Govt to make Gobindobhog, Tulaipanji rice available at reduced rates

In a move expected to draw much appreciation, the State Government has decided to make available aromatic varieties of rice like Gobindobhog and Tulaipanji at prices 20 to 25 per cent less than the market rates at selected stalls across Bengal.

The special price rice would initially be available at the Sufal Bangla stalls, which are run by the State Government, and later from the various public distribution scheme (PDS) outlets, better known as ration shops.

The service is expected to begin soon after this year’s Durga Puja or some time early next year.

Gobindobhog is grown in certain areas of Purba Bardhaman district while Tulaipanji is grown in certain areas of Uttar and Dakshin Dinajpur districts.

The Bengal Government had applied for and was successful in getting geographical indication (GI) tags for both types of rice at the initiative of Chief Minister Mamata Banerjee.

 

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে কম দামে তুলাইপঞ্জি ও গোবিন্দভোগ

রসনাপ্রিয় বাঙালির জন্য সুখবর। বাংলার দুই সেরা সুগন্ধী চাল গোবিন্দভোগ ও তুলাইপঞ্জি সস্তায় সাধারন মানুষের হাতে তুলে দেবে রাজ্য সরকার। এবছরে পুজোর পর বা আগামী বছরের শুরুতে বাজারদরের অন্তত ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কম দামে রাজ্যের বিভিন্ন স্টলে বিক্রী করা হবে এই চাল। প্রথমে সুফল বাংলার স্টল ও পড়ে রেশন দোকান মারফত বিক্রী করা হবে এই চাল।

মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগ নেওয়ার পর কৃষি বিজ্ঞানী ও আধিকারিকদের কাছ থেকে ফলন বাড়ানো ও আনুসাঙ্গিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী।
তুলাইপঞ্জি মূলত উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ মহকুমা ও দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি অংশে উৎপাদিত হয়। উত্তরবঙ্গের আরও কিছু এলাকায় এই চালের উৎপাদন করা যেতে পারে বলে কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে। সেক্ষেত্রে ফলন অনেকটাই বাড়বে।

তেমনই গোবিন্দভোগ চাল মূলত পূর্ব বর্ধমানের রায়না-১ ও ২ নম্বর ব্লক ও খণ্ডকোষে খুব ভালো উৎপাদন হয়। এই পূর্ব বর্ধমান জেলারই আউশগ্রাম, মন্তেশ্বর, জামালপুর ছাড়িয়ে অনেকটা দূর পর্যন্ত এই চাল ফলন করা যেতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। এছাড়া, হুগলী, নদীয়া, বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়াও এই চাল উৎপাদনের জন্য উপযোগী বলে মনে করছেন তারা। বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতেও চাল তৈরীর প্রক্রিয়া চলছে।

প্রসঙ্গত, এই দুই চালের পেটেন্ট নিয়ে রেখেছে রাজ্য সরকার।