Latest News

January 2, 2018

Farmers are our assets: Bengal CM at Mati Utsav inauguration

Farmers are our assets: Bengal CM at Mati Utsav inauguration

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee inaugurated Mati Utsav today at Mati Tirtha, which is located in Purba Bardhaman district.

The Chief Minister had initiated the festival marking the growth of the agriculture sector in the state. Initially, it used to take place at Lalbaba Ashram Ground in Panagarh. It was in 2016 that Mati Tirtha, a permanent venue, was set up near Kalna Road.

The preparation for the festival had started in December. Thousands of people visit Mati Tirtha during the event.

There are stalls of the Agriculture Department and its allied departments where farmers would get to know about different modern techniques of farming. There will also be a separate arena where they can discuss the problems they usually face in farming with experts. The step has been taken so that after getting to know about the problems, concerned officials of the departments can revert promptly with remedies.

Besides felicitating the farmers, there are certain new components at the Mati Utsav this year.

It may be mentioned that the Trinamool Congress Government has taken several steps for the benefit of farmers over the past six years to ensure that they incur profit. The average annual income of farmers has doubled, compared to six years ago.


Highlights of the Chief Minister’s speech:

We started Mati Utsab in 2012 while United Nations declared 2015 as the ‘International Year of the Soils’. Bengal is the only State which started a festival centered around the soil.

We set up this permanent ‘Mati Tirtha’ to help farmers, provide them inputs on farming, listen to their problems and provide solutions.

103 farmers have been honoured with Krishak Samman today.

Our Kanyashree girls stopped 120 child marriages in different districts. They will be felicitated with Bravery Award. My best wishes to them.

We returned the land forcefully acquired in Singur. The land has become fertile and productive again.

We have paid compensation worth Rs 1200 crore to farmers affected by floods.

We have received Krishi Karman award five years in a row for our achievements in agriculture.

79 lakh Kisan Credit Cards have been disbursed. Banks have been asked to give more loans against these KCCs.

14 March is observed as Kisan Dibas in Bengal. Our farmers are our assets. If they do well, will they produce food for us to eat. You are our pride. It is our responsibility to work for them.

Three new Kishi Universities have been set up. We have set up 186 Kisan Mandis. We are providing farming equipment to farmers.

361 purchase centres have been set up for direct procurement of paddy from farmers.

We have paid premium worth Rs 626 crore for Fasal Bima. 45 lakh farmers have benefitted. Farmers do not pay a penny. 21 lakh hectare farmland has been brought under crop insurance.

We have done away with ‘khajna’ tax on agricultural land.

Bardhaman Purba and Bardhaman Paschim districts have been declared ODF today. My best wishes to the people. 4.4 lakh toilets have been constructed in these districts.

Four new power sub-stations are coming up in Bardhaman Purba district, new power project at Katwa is also under process.

38 Nischay Jaan ambulances (for pregnant women) are being allotted to Bardhaman Purba district. A multi super speciality hospital is coming up at Kalna.

A new Textile Park is coming up at Shaktigarh. A Mishti Hub is also coming up in Bardhaman, which is famous for its sweets.

A new North-South Corridor being set up that will pass through Bardhaman. Rs 3000 crore has been allocated for this project.

We have started a Rs 2768 crore project to bring more land under irrigation in the districts of Paschimanchal.

5 lakh beneficiaries will be handed over houses under ‘Banglar Bari’ scheme on January 29, 2018.

Three lakh people have received assistance for building houses under Geetanjali scheme.

Bengal cannot be threatened by intimidation tactics. We live with our heads held high.



কৃষকরা আমাদের সম্পদ, আমাদের গর্ব: মুখ্যমন্ত্রী

আজ পূর্ব বর্ধমান জেলায় অবস্থিত মাটি তীর্থে মাটি উৎসবের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কৃষির উন্নয়নের জন্য, এবং কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা এক ছাতার তলায় সমাধান করতেই এই মাটি উৎসবের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে এই উৎসব পানাগড়ে অনুষ্ঠিত হত। ২০১৬ সালে একটি স্থায়ী জায়গা তৈরী করা হয় কালনা রোডের পাশে – এই স্থানটিকেই বলা হয় মাটি তীর্থে।

এই উৎসবের প্রস্তুতি ডিসেম্বর মাসেই শুরু হয়ে গেছিল। হাজার হাজার মানুষ উৎসবের সময় মাটি তীর্থে আসেন। এই উৎসব প্রাঙ্গনে কৃষি ও কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরের স্টল থাকবে, যেখানে কৃষকরা আধুনিক কৃষি পদ্ধতির ব্যাপারে জানতে পারবেন। কৃষিক্ষেত্রে নানা সমস্যার ব্যপারে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করার ব্যবস্থা থাকবে। কৃষকদের সম্বর্ধনাও দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কৃষকদের উন্নতির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। কৃষকদের আয় ছয় বছরে দ্বিগুন হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশঃ

আমরা ২০১২ সালে মাটি উৎসব চালু করেছি, আর ইউনাইটেড নেশন চালু করে ২০১৫ সালে। বাংলা একমাত্র রাজ্য যারা মাটিকে ভালোবেসে মাটি উৎসবের কথা ঘোষণা করেছিল।

আমরা মাটি তীর্থ তৈরি করেছি। এখানে কৃষকদের মাটি কথা শোনানো হবে, প্রদর্শনী হবে, পরামর্শ দেওয়া হবে এবং মাটির গুনগান ব্যাখ্যা করা হবে।

আজ ১০৩ জন কৃষককে কৃষক সম্মান দেওয়া হল।

আমাদের কন্যাশ্রী মেয়েরা জেলায় জেলায় ১২০ টি বাল্য বিবাহ বন্ধ করেছে। তাদেরকে Bravery Award দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে। ওদের জন্য আমরা গর্বিত।

আমরা সিঙ্গুরের কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দিয়েছি। সেখানে এখন সোনার ধান ফলছে। এটা আমাদের গর্ব।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রায় ১২০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে আমাদের সরকার।

আমরা পরপর ৫ বার কৃষি কর্মন পুরস্কার পেয়েছি। আমাদের সরকার কথা কম বলে, কাজ বেশি করে।

৭৯ লক্ষ কিষাণ ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়েছে। কৃষি ঋণ দেওয়ার জন্য আমরা আমাদের কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কগুলিকে আমরা বলেছি, যাতে তারা বেশি করে লোণ দেয়।

আমাদের সরকার প্রতি বছর ১৪ মার্চ কৃষক দিবস পালন করে। কৃষকরা আমাদের সম্পদ, আমাদের গর্ব। তারা ভালো থাকলে তবেই আমরা ভালো থাকব।

৩টি নতুন কৃষি মহাবিদ্যালয় তৈরি করা হয়েছে । আমরা ১৮৬ টি কিষাণ বাজার গড়ে তোলা হয়েছে। চাষের জন্য কৃষকদের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, ঋণ দেওয়া হয়েছে।   

কৃষকরা যাতে ন্যায্য মূল্যে ধান কিনতে পারে সেজন্য কিষাণ বাজারগুলিতে ৩৬১ টি purchase centre তৈরি করা হয়েছে। আমরা এখন কৃষকদের থেকে সরাসরি ধান কিনছি।

২১ লক্ষ হেক্টর চাষের জমি আমরা বাংলা ফসল বিমার আওতায় নিয়ে এসেছি, এর মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লক্ষ কৃষক উপকৃত হয়েছে। সরকার কৃষকদের জন্য ৬২৬ কোটি টাকা প্রিমিয়াম দিচ্ছে।

আমরা কৃষকদের সব খাজনা মুকুব করে দিয়েছি।

আজ বর্ধমান পূর্ব ও বর্ধমান পশ্চিম জেলা নির্মল জেলা ঘোষিত হয়েছে। সকলকে আমার অভিনন্দন। এই জেলায় ৪.৪০ লক্ষের বেশি শৌচাগার তৈরি করা হয়েছে।

বর্ধমান পূর্ব জেলায় ৪ টি নতুন পাওয়ার সাব স্টেশন তৈরি হচ্ছে, কাটোয়ায় আরও একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গেছে।

বর্ধমান পূর্ব জেলার জন্য ৩৮ টি নিশ্চয় যান দেওয়া হয়েছে। কালনায় মাল্টি সুপার হাসপাতাল চালু হয়েছে।

শক্তিগড়ে একটি নতুন টেক্সটাইল পার্ক তৈরি হয়েছে। বর্ধমানে মিষ্টি হাব তৈরি হচ্ছে।

নর্থ সাউথ করিডোর তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আর একটি রাস্তা তৈরির কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলির সেচের কাজের জন্য ২৭৬৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ নেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৯ জানুয়ারি ৫ লক্ষ মানুষকে গ্রামীণ আবাস যোজনার আওতায় বাংলার বাড়ি দেওয়া হবে।

৩ লক্ষ মানুষকে গীতাঞ্জলি প্রকল্পের আওতায় বাড়ি তৈরির জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বাংলা কখনো মাথা নত করে না, কারো কাছে আত্মসমর্পণ করে না।