Latest News

September 5, 2017

New avenues for higher education in Bengal

New avenues for higher education in Bengal

The Bengal Government, under the leadership of Mamata Banerjee has been committed towards creating newer avenues for higher education in the State. Accordingly, sixteen new universities have been set up. Of these, seven are State-aided and nine are private universities.

Thirty-one new Government Colleges and sixteen Government-aided colleges have been set up. All are functional. A new Government College has also been sanctioned in 2016 at Narayangarh in Paschim Medinipur.

Here are some of the achievements in higher education and technical education sector:


• The Government has adopted a policy of ensuring one Polytechnic in each Sub-division

• In 2011, 26 sub-divisions of the State had 65 Polytechnics, while in 2017 total number of operational Polytechnics across the State has reached 146.

• The intake capacity in Polytechnics has gone now up to 37,315 as compared to a total of 17,185 in 2011.

• E-learning contents have already been developed for 50 subjects and being taught since 2015-16.

• 60 Polytechnics have been converted into Wi-Fi campus.

• WBSCT&VE&SD, the unified Council has completed the task of modernization of syllabus for the diploma courses to make them at par with the country.

• E-Yantra Labs have been set up at 05 Govt. Polytechnics on Robotics in collaboration with IIT, Mumbai

• Students of APC Roy Polytechnic stood first in the All India Students Robotics Competition resulting in award of internship for 06 weeks at IIT, Mumbai.


• The Government has adopted a policy of ensuring one ITI in each block

• In 2011, only 39 blocks of the State had 80 ITIs, while in 2017 total number of operational ITIs across the State has reached 235.

• Biennial intake capacity (on account of 4 semesters) of the ITIs has now gone up to 66710 in comparison with total intake of 17636 in 2011.

• It may be further mentioned that 71 of the Govt. ITIs have been operationalised in 2016 -17 in PPP mode.

Higher Education

• As a result of the huge expansion in higher education, the State’s Gross Enrolment Ratio (GER) which was 12.6 in 2011 rose dramatically to 18 in 2016.

• The State’s enrolment in higher education institutions has risen from 14,97,019 in 2011 to 19,52,696 in April 2017. This means an addition of 4,55,677 new seats at the UG and PG levels in the State during the last six years.

• A total of 2,816 teaching and non-teaching posts have been created in the State-funded universities, Government colleges and Government-aided colleges.

• A total of 5, 931 Assistant Professors were recruited by the State’s Public Service Commission and the College Service Commission, thereby significantly improving the teaching standards in the State-funded colleges.

• Indicating the steady improvement in the State’s higher education institutions, as many as 276 institutions (May 2017) have obtained UGC-NAAC’s (National Assessment and Accreditation Council) accreditation while 95 institutions are awaiting NAAC’s visit, to be assessed and accredited shortly.

• To usher in the educational benefits of the internet, 732 virtual/ smart classrooms in the State-aided Universities, Government Colleges and Government-aided Colleges have been set up.

• An e-learning space has been created in every State-funded higher education institution where free WiFi/ internet facility has been made available for the students and teachers during work hours. Several universities and colleges have also completed full campus WiFi coverage.

• A major e-governance initiative has been taken to bring in greater transparency and fairness in admissions to all UG and PG level courses by making admissions online in all Government and Government-aided higher education institutions, from the academic session 2015-16 onwards. Each year, this bene ts more than eight lakh applicants across the State.

• To meaningfully assist the meritorious students belonging to the economically backward sections of the population, the budget for the Swami Vivekananda Merit cum Means Scholarship Scheme, which was Rs.45 crore in 2015-16 has been enhanced to Rs. 200 crore in 2016-17. This has increased the quantum of scholarships as also the number of beneficiaries in engineering, medical, technical and general degree courses besides students of classes XI and XII. During 2016-17, a total of 73,744 students have got the benefit of the scholarships.


উচ্চশিক্ষায় নতুন পথের দিশারি বাংলা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মা, মাটি, মানুষের সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গত ছ’বছরে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন পথের দিশারি হিসেবে উঠে এসেছে বাংলা।

গত ছ’বছরে ১৬টি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে, এগুলির মধ্যে সাতটি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সবকটিই চালু হয়ে গিয়েছে। একত্রিশটি নতুন সরকারি মহাবিদ্যালয় এবং ১৬টি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মহাবিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়াণগড়ে ২০১৬ সালে একটি নতুন মহাবিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছে।


রাজ্য সরকার প্রত্যেক মহকুমায় একটি করে পলিটেকনিক তৈরির বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে নীতি প্রণয়ন করেছে।

২০১১ সালে, রাজ্যের ২৬টি মহকুমায় মোট পলিটেকনিক ছিল ৬৫টি, সেখানে ২০১৭ সালে সারা রাজ্যে চালু পলিটেকনিকের সংখ্যা ১৪৬-এ পৌঁছে গিয়েছে।

পলিটেকনিকগুলিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তির ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে এখন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৭,৩১৫ যা ২০১১ সালে ছিল ১৭,১৮৫।

৫০টি বিষয়ের জন্য ই-লার্নিং-এর বিষয়টি ইতিমধ্যে উন্নত হয়েছে এবং ২০১৫-১৬ সাল থেকে শেখানোও হচ্ছে।

৬০টি পলিটেকনিক ওয়াই-ফাই ক্যাম্পাসে পরিণত হয়েছে।

ডব্লিউবিএসসিটি অ্যান্ডভিআইঅ্যান্ডএসডি নামে একটি সংযুক্ত সংসদ সারা দেশের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সাযুজ্য রক্ষার জন্য এখানে পাঠ্যক্রমের আধুনিকীকরণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

আইআইটি মুম্বই-এর সহযোগিতায় ৫টি সরকারি পলিটেকনিকে রোবোটিক্স-এর ওপরে ই-যন্ত্র ল্যাব তৈরি করা হয়েছে।

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় এপিসি রায় পলিটেকনিক-এর ছাত্রছাত্রীরা প্রথম স্থান অধিকার করেছে এবং পুরস্কার হিসেবে আইআইটি মুম্বইতে ৬সপ্তাহের ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছে।


রাজ্য সরকার প্রতিটি ব্লকে একটি করে আইটিআই স্থাপনের বিষয়টিকে সুনিচিত করতে একটি নীতি গ্রহণ করেছে।

২০১১ সালে রাজ্যের মাত্র ৩৯টি ব্লকে মোট ৮০টি আইটিআই ছিল, সেখানে ২০১৭ সালে সারা রাজ্যে চালু আইটিআই-এর সংখ্যা ২৩৫-এ পৌঁছেছে।

দু’বছরে আইটিআইগুলিতে ছাত্রভর্তির ক্ষমতা (৪তে সেমিস্টারের হিসেবে) ২০১১ সালে ছিল ১৭৬৩৬, সেই তুলনায় বর্তমানে বেড়ে হয়েছে ৬৬৭১০।

আরও উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ৭১টি সরকারি আইটিআই ২০১৬-১৭ সালে পিপিপি মোডে চালু হয়েছে।


উচ্চশিক্ষার বিপুল বিস্তারের কারণে রাজ্যের মোট নথিভুক্তর অনুপাত ২০১১ সালের নিরিখে ১২.৬ থেকে বিস্ময়কভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৬ সালে ১৮ হয়েছে। ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষায় রাজ্যের নথিভুক্তিকরন সংখ্যা ছিল ১৪,৯৭,০১৯,২০১৭ -র এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯,৫২,৬৯৬ । এর অর্থ হল বিগত ছয় বছরে রাজ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে আরো ৪,৫৫,৬৭৭ টি নতুন আসন যুক্ত হয়েছে।

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় ,সরকারি কলেজ ও সরকারি অর্থে পরিচালিত কলেজে সর্বমোট ২৮১৬টি শিক্ষক ও অ -শিক্ষক কর্মচারীর পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটানা উন্নয়ন যেই ঘটেছে তার প্রমান ২৭৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মে ,২০১৭ ) বিশ্ববিদ্যালয় ,মঞ্জুরি কমিশন (UGS ) ও জাতীয় মূল্যায়ন ও স্বীকৃতিদান পরিষদ (NAAC ) -এর স্বীকৃতি অৰ্জনে সমর্থ হয়েছে যেখানে ৯৫ টি প্রতিষ্ঠান ন্যাক -এর পরিদর্শনের অপেক্ষায় আছে ,যেগুলির মূল্যায়ণ শীগ্রই হবে এবং আশা করা যায় তারাও ন্যাক-এর স্বীকৃতি অর্জন করবে।

উচ্চশিক্ষায় ইন্টারনেট ব্যবস্থা সুবিধা দেওয়ার উদ্দ্যেশ্যে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় ,সরকারি কলেজ ও সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে ২২ কোটি ব্যয় ৭৩২ টি ভার্চুয়াল /অত্যাধুনিক ব্যয়বস্থাসমৃদ্ধি শ্রেণিকক্ষ গড়ে তোলা হয়েছে।

প্রতিটি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ই -শিক্ষার জন্য বিশেষ পরিসর রাখা হয়েছে যেখানে কাজের নির্দিষ্ট সময়ে প্রত্যেক ছাত্র ও শিক্ষক ওয়াইফাই / ইন্টারনেট -এর সুবিধা পেতে পারেন। বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ তাদের গোটা চত্বর জুড়ে ওয়াইফাই সংযোগ ব্যবস্থা চালু করতে পেরেছে।

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠক্রমে অনলাইন ভর্তির কেত্রেই অধিকতর স্বছতা ও ন্যায্যতা আনার লক্ষ্যে একটি ব্যাপক ই -প্রশাসন উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রতিবছর রাজ্যজুড়ে আট লক্ষ্যের বেশি আবেদনকারী উপকৃত হচ্ছেন।

সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিকভাবে পশ্চাৎপদ অংশের মেধাবী পড়ুয়াদের যথার্থ সহায়তা দিতে স্বামী বিবেকানন্দ মেধা তথা সংস্থান বৃত্তি প্রকল্পের জন্যও বাজেটে অর্থ বরাদ্দ ২০১৫-১৬ সালে ৪৫কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০১৬-১৭ সালে ২০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর ফলে প্রযুক্তি, ডাক্তারি, কারিগরি ও সাধারণ স্নাতক স্তরের পাঠ্যক্রমে ছাত্রবৃত্তির পরিমাণ যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই উপকৃতের সংখ্যাও বেড়েছে। প্রসঙ্গত ২০১৬-১৭ সালে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীতে মোট ৭৩,৭৪৪ জন পড়ুয়া এই বৃত্তির সুযোগ লাভ করেছেন।