Process of dialogue for restoring normalcy in the Hills has begun: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today held a meeting with political parties from the Hills to end the ongoing impasse in the Darjeeling Hills and restore normalcy in the region.

Four major political parties (GJM, JAP, GNLF and TMC) were present at the meeting.

 

Here is what the Chief Minister said after the meeting:

Today’s meeting was positive and cordial. A dialogue process has been initiated to restore normalcy in the Hills and bring back peace in the region.

Dialogue is a continuous process. Regular interaction will continue. We will meet again on September 12 in Uttarkanya at 3 PM.

We are all in favour of restoring peace and normalcy in the Hills. We requested them (the Hill parties) to withdraw the bandh, as common people are suffering. Tea, tourism, transport sectors have been hampered.

Let them take their time. They have their own political considerations. Government is bound by its constitutional mandate. But the process of dialogue should continue.

We thank the representatives of all the Hill parties who were present today. We want peace and progress in the Hills.

 

 

পাহাড়ের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে আলোচনা প্রক্রিয়া চলবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

পাহাড়ে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আজ নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাহাড়ের ৪ টি বড় রাজনৈতিক দল (GJM, JAP, GNLF and TMC) আজকের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল।

 

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:

আজকের এই বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে। আজকের এই বৈঠকের মাধ্যমে একটি আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করতে এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে আজকের এই বৈঠক।

এখন থেকে নিয়মিত আলোচনা হবে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর বেলা ৩ টেয় উত্তরকন্যায় বৈঠক হবে।

আমারা চাই পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসুক, সমস্যার সমাধান হোক। বনধ তুলে নেওয়ার জন্য আমরা ওদের (পাহাড়ের দলগুলিকে) অনুরোধ করেছি। চা বাগান বন্ধ হয়ে গেছে; পর্যটন, পরিবহণ সব কিছুর ক্ষতি হচ্ছে।

পাহাড় নিয়ে আলোচনা শুরু হল, বৈঠক হয়েছে মানেই আলোচনার পথ এগিয়েছে। এবার ওদের (পাহাড়ের দলগুলি) নিজেদের আলোচনা করতে দিন, ওদের কিছু সেট আপ রয়েছে। তবে নিয়মিত আলোচনা হবে।

পাহাড়ের সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের আমার ধন্যবাদ। পাহাড়ের ভাই-বোন ভালো থাকুক, শান্তিতে থাকুক। পাহাড়ের উন্নয়ন হোক।

2019 will be a fight for ‘poriborton’ at Centre: Mamata Banerjee at TMCP Foundation Day rally

A rally to commemorate the foundation day of Trinamool Chhatra Parishad was held at Mayo Road in Kolkata today. Like every year, Trinamool Chairperson Mamata Banerjee addressed the students on the occasion.

Mamata Banerjee said youths and students are the future of the country and they have to lead the fight for ‘poriborton’ (change) at Centre in 2019. She also advised them to be active on social media to counter the ‘fake narrative’ of BJP.

 

Highlights of Mamata Banerjee’s speech:

The students are the future of the country. You will be the architects of the nation’s future. You will shape the society. Students must focus on building bonds with people. Leaders of the future will emerge from among the student community.

Becoming a political activist does not make anyone bad. My political career started as a student activist.

Life is not just about education. You have to become good human beings. Swami Vivekananda had said development of character is the most important thing in life.

28 August is a historic day for us. We renew our pledge today to serve the people, to live up to the ideals we fight for.

Students must use social media wisely. Some political parties have turned Facebook into ‘Fakebook’ using money power.

We have struggled for 34 years against the Left. And now the Leftists have bowed down before the Right-Wing. Ram had fought Ravan, not Rahim. ‘Fake’ Ram has come from Delhi and ‘Bam’ (Left) have joined them.

Trinamool-led Bengal Government took a stand in favour of right to privacy and the Supreme Court gave a verdict in favour of that right.

From birth to death, the Centre wants to impose Aadhaar on everything. They will have access to your personal details – what you say, what you do, where you go, what you eat – by linking Aadhaar with phone. What will happen if the data is hacked? What about individual right to privacy?

Some leaders give only bhashan not ration. Where is the achhe din? People cannot even have sweets, thanks to the burden of taxes. We are doing all the work – from building toilets to digitisation – and they are taking all the credit.

The youth and students will have to bring ‘poriborton’ in 2019. You will have to make ‘New India’ by infusing fresh blood.

They have started ‘Beti Bachao, Beti Padhao’ project and the budget for entire country is Rs 100 crore. That means roughly Rs 2.5 crore per State. What is the use? In Bengal, we have ‘Kanyashree’ scheme and have allotted Rs 5000 crore for it.

They are trying to incite violence between Hindus and Muslims in Bengal over Durga Puja. Do not fall prey to their incitement. In our culture, bishorjon never happens on Ekadoshi. Why is the BJP so insistent on having bishorjon on that day? They could not handle the situation in Panchkula. If Ganapati Visarjan and Muharram fall on the same day, can they manage? Let them set their own house in order. Manage Panchkula and Uttar Pradesh first.

In Panchkula, they could not handle one incident. More than 30 people lost their lives. If some incident happens in BJP-ruled State, Army is immediately called in. But no help is offered to non-BJP States.

Trinamool is ‘naram-garam’. In the service of people, we are ‘naram’ but if someone crosses our path, we are ‘garam’.

Our slogan is ‘BJP Hatao, Desh Bachao’. Bengal will show the way.

 

২০১৯ এর লড়াই পরিবর্তন নিয়ে আসুকঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সভায়

আজ তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। প্রতি বছরের মত এ বছরও গান্ধীমূর্তির সামনেও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল। অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন তিনি বলেন ছাত্ররাই দেশের ভবিষ্যৎ। ২০১৯ এর লড়াই সারা দেশে পরিবর্তন নিয়ে আসবে।

বিজেপি সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কুৎসা ছড়াচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের আরও সরব হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যের কিছু বিষয়ঃ

ছাত্ররাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। সবুজের দল কোন বাধা মানে না। এরাই দেশ গড়বে, সমাজ গড়বে। শিক্ষক – ছাত্রছাত্রীদের এই সুদৃঢ় বন্ধন আরও সংগঠিত করতে হবে।

রাজনীতি করলে কেউ খারাপ হয় না। আমার রাজনৈতিক কেরিয়ার ছাত্রজীবন থেকেই শুরু।

শুধু পড়াশোনা করার নাম জীবন নয়। আমরা চাই ছাত্ররা ভালোভাবে সমাজসেবা করুক, ভালো মানুষ হোক, প্রকৃত মানুষ হোক। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, ‘আমি চাই উন্নততর মানুষ’।

২৮ আগস্ট আমাদের কাছে একটি ঐতিহাসিক দিন। এটি ভবিষ্যৎকে পাথেয় করে এগিয়ে যাওয়ার দিন, শপথ নেওয়ার দিন, অঙ্গীকার করার দিন, মানুষকে সঙ্গবদ্ধ  করা দিন।

ছাত্রছাত্রীরাই নিশ্চয়ই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। কোন কোন রাজনৈতিক দল টাকার জোরে ফেসবুককে ফেকবুকে পরিণত করছে। ছাত্রছাত্রীদের এই ব্যাপারে আরও সতর্ক হতে হবে।

৩৪ বছর ধরে আমরা সিপিএমএর বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। এখন ওরা এখন দক্ষিণপন্থী দলের কাছে মাথা নত করছে। রাম রাবণের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন, রহিমের সাথে নয়। দিল্লি থেকে এসেছে ‘নকল’ রাম, আর তার সাথে জুটেছে বাম।

আজ মানুষের privacy কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আমরা মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের কাছে কৃতজ্ঞ যে তারা বলে দিয়েছিলেন – গোপনীয়তা মানুষের মৌলিক অধিকার। তৃণমূল প্রথম stand নিয়েছিল।

একটা বাচ্চার জন্ম হলেই আধার কার্ড বাধ্যতামূলক। আরে, বাচ্চাদের চোখ matured হতে সময় লাগে।  মূর্খের মত সব বলে দিচ্ছে। আপনার সব personal details এর access থাকবে ওদের কাছে। কি বলছেন, কি করছেন, কোথায় যাচ্ছেন, কি খাচ্ছেন – সব জানা যাবে মোবাইল ও আধার লিঙ্ক করলে। মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই। যদি সব তথ্য হ্যাক হয়ে যায় তখন কি হবে?

মোহাব্বাত কাম সে হোতা হ্যায়, ভাষনো শে নেহি। কোথায় গেল আচ্ছে দিন? বলছে মিষ্টি খাওয়া বাদ দিন, সিঙ্গারা খাওয়া বাদ দিন, চাকরি বাদ দিন, বেকার বাড়িয়ে দিন, হিন্দু মুসলমান ভাগ করে দিন, সব্বাইকে বাদ দিন। আমরা করলাম ডিজিটাল, রাস্তা পরিষ্কার, বাথরুম নির্মাণ আর ভাষন বাজি দিচ্ছে ওরা।

 ২০১৯ এর লড়াই পরিবর্তন নিয়ে আসুক ভারতবর্ষের বুকে, বাংলা থেকেই ডাক দিতে হবে পুরো ইন্ডিয়াতে পরিবর্তন দরকার আছে। স্টুডেন্ট ও ইউথ জেনারেশন নিউ ব্লাড দিয়ে নিউ ইন্ডিয়া গঠন করবে।

 বলছে বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, এই প্রজেক্ট পুরো দেশে ১০০ কোটি টাকার, আড়াই কোটি করেও একটা রাজ্যের জন্য হবে না।আমাদের কন্যাশ্রী প্রজেক্ট ৫,০০০ কোটি টাকা খরচ করেছি শুধু বাংলায়।

 রাম রহিমের নামে আমাদের এখানে রোজ দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করে। গণপতি পুজোর বিসর্জন ও মহরম একসঙ্গে পড়লে সামলাতে পারবে তো? পেরেছে কোনোদিনও? একাদশীর দিন আমরা মাকে বিসর্জন দিই? অমাবস্যার দিন দিই? না। কোনও কোনও জেলায় গিয়ে বিজেপির একটা পরিকল্পনা হয়েছে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে দাঙ্গা লাগানোর।

 আগে পঞ্চকুলা সামলাও তারপর বাংলার দিকে তাকাও, আগে উত্তরপ্রদেশ সামলাও তার পর বাংলার দিকে তাকাও, আগে মধ্যপ্রদেশে কৃষক হত্যা সামলাও তার পর বাংলার দিকে তাকাও।

 একটা রামরহিমকে ঠেকাতে গিয়ে ৩০ জনের ওপর মানুষ মোড়ে গেল একদিনে, কত মানুষ আহত। দার্জিলিঙের জন্যও ৪ ব্যাটেলিয়ান সেনা চেয়েছিলাম,  কোর্টের অর্ডারের পরে পেয়েছি। আর হরিয়ানা পেয়েছে ৪০ ব্যাটেলিয়ান। বিজেপির রাজ্য হলে একরকম, অন্য রাজ্য হলে আরেকরকম।

 তৃণমূল কখনও নরম, কখনও গরম, যখন জনগণের জন্যও প্রয়োজন, তৃণমূল মানবিক, আর কেউ যদি মনে করে দলটাকে শেষ করে দেব, তাকে তৃণমূল কিন্তু রুখে দাঁড়ায়, প্রতিবাদ করে, গর্জন করে।

 বাংলায় স্লোগান উঠবে, “বিজেপি হাটাও, দেশ বাঁচাও”। বাংলাই আগামী দিনে পথ দেখাবে।

 

Bill passed in Bengal Assembly to protect the interest of house buyers

The Bengal Government, in an effort to provide a transparent policy in the housing sector, thereby protecting the interest of the buyers, has passed The West Bengal Housing Industry Regulation Bill, 2017. It was passed on Wednesday, August 17. The step was taken after considering the need for quality and affordable housing in the real estate sector.

It must be mentioned that Chief Minister Mamata Banerjee has given a clear instruction to ensure that the interests of buyers are given the highest priority, and the law has been framed keeping this in mind.

Within a period of one year after the Bill turns into an Act, the State Government will establish the West Bengal Housing Industry Regulatory Authority (WBHIRA) to exercise the powers conferred on it. The State Government will also set up an Appellate Tribunal known as West Bengal Housing Industry Appellate Tribunal where an aggrieved person can make an appeal.

The main purpose of the legislation is to keep the interest of the buyers at a higher ground. The new rules will also create an atmosphere to encourage private investment in the sector, with an emphasis on ‘housing for all’.

All promoters have to register their projects with the WBHIRA, furnishing all necessary details, including the stipulated time within which they plan to hand over the flats to the consumers. There are allegations that some promoters do not hand over flats to consumers within the promised period of time.

Through this new law, if any promoter fails to provide a flat to a customer within the stipulated time, there will be a provision to slap a fine on him, as well as a provision for the promoter to be prosecuted.

No promoter would be allowed to advertise, market, book, sell or offer for sale or invite persons to purchase any plot, apartment or building in any real estate project or part of it without registering the projects with the regulatory authority.

The new legislation will ensure that the whole procedure of the buying and selling of plots, apartments or buildings is done in a transparent manner so that it protects the interests of the consumers, and will also establish a mechanism for speedy redressal of disputes.

It sometimes been alleged that many people claim themselves to be real estate developers and dupe customers of huge amounts of money. The new legislation will also be able to check such incidents.

Another important feature of the new law passed is that no construction will be allowed through the filling up of water bodies.

It was assured during the discussion on the Bill in the Assembly that the new laws are going to be strictly implemented. No housing complex will be allowed in Bengal without the WBHIRA going through the necessary clearances issued by the departments.

 

রক্ষাকবচ ফ্ল্যাট মালিকদের, অসাধু প্রোমোটারদের কারসাজি রুখতে বিল পাশ

বুধবার রাজ্য বিধানসভায় গৃহীত হল দি ওয়েস্টবেঙ্গল হাউজিং ইন্ডাস্ট্রি রেগুলেশন বিল, ২০১৭। এই বিলের জেরে যে আইন আসছে, সেই অনুযায়ী এবার থেকে প্রোমোটারদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে কাজ করবে দি হাউজিং ইন্ডাস্ট্রি রেগুলেশন অথরিটি।

এই বিল অনুযায়ী ৫০০ বর্গমিটার জমিতে নির্মাণ করছেন বা আটটি ফ্ল্যাট বানাচ্ছেন, এমন প্রোমোটারকে তাঁর নিজের সংস্থা এবং প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে অথরিটির কাছে। তা না করে ব্যাবসা করলে, দৈনিক ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করার সংস্থান থাকছে নতুন আইনে।

নিজের প্রকল্প সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য অর্থাৎ কোন প্রকল্পে ক্রেতার জন্য কী কী সুবিধা রয়েছে, কী কী মিলবে, কতটাই বা মিলবে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সংশ্লিষ্ট প্রোমোটারকে রেগুলেশন অথরিটির ওয়েবপেজে জানিয়ে দিতে হবে। রেগুলেশন অথরিটির অনুমোদন ছাড়া কোনও প্রোমোটার বা ডেভেলপার আবাসন প্রকল্প সংক্রান্ত কোনও বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন না।

প্রস্তাবিত এই আইনানুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনের কোনও তথ্য কিংবা ক্রেতার কাছে ফ্ল্যাট হস্তান্তরের কোনও তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে কিংবা সময়মতো ফ্ল্যাট না মিললে সংশ্লিষ্ট প্রোমোটারকে জরিমানা করার পাশাপাশি জেলও খাটতে হতে পারে। কোনও প্রোমোটারই সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটের দামের ১০ শতাংশের বেশি অগ্রিম বাবদ ক্রেতার কাছ থেকে নিতে পারবেন না।

নতুন এই আইনে রেগুলেটরি অথরিটির পাশাপাশি তৈরি করা হয়েছে স্টেট অ্যাডভাইজারি কাউন্সিল। এক্সঅফিসিও চেয়ারপার্সন হিসাবে যার মাথায় থাকবেন আবাসনমন্ত্রী নিজে। অর্থ, শিল্প-বাণিজ্য, পুর ও নগরোন্নয়ন, ক্রেতা সুরক্ষা এবং আইন দপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গেই কাউন্সিলে থাকবেন রেগুলেটরি অথিরিটির পাঁচজন সদস্য। প্রস্তাবিত এই আইনে থাকছে দি হাউজিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালও। ফ্ল্যাট কেনা-বেচা সংক্রান্ত যে কোনও বিবাদ নিষ্পত্তির অধিকার থাকছে ট্রাইব্যুনালের। চুক্তি ভঙ্গের যে কোনও বিষয় দু’পক্ষের শুনানি করে ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবে ট্রাইব্যুনাল।

 

 

State Govt’s Safe Drive Save Life programme reduces accidents

The Bengal Government’s Safe Drive Save Life programme has enabled in significantly bringing down the number of accidents in the state.

The State’s Road Safety Council a few days back presented to the State Transport Department, Kolkata and Howrah Police, and PWD Department officials a detailed report on the state of road safety in Bengal.

During the last six years, that is, from the time the Chief Minister Mamata Banerjee-led Trinamool Congress Government came to power, the number of road accidents in the state has reduced by 19.52 per cent. Naturally, the number of deaths and injury cases have also reduced, by 11.5 per cent and 14 per cent, respectively.

Another aspect of the programme has been the police insisting on the use of helmets both by drivers and pillion riders. This significantly lessens the chances of serious injuries. Then, CCTV cameras have been set up at important traffic junctures across the city. This has helped in catching people who are not following safety rules; this has also helped in improving significantly the traffic safety regime of the city.

During the presentation of the report, an app to be launched by the Transport Department was also discussed. When in danger, people would be able to send messages from this app directly to police stations, fire services, hospitals and pre-designated relatives and friends, and to the Transport Department as well, via the GPS of the mobile phone.

Source: Sangbad Pratidin

 

সেফ ড্রাইভে কমছে দুর্ঘটনার হার, মৃত্যুও

সরকারের সচেতনতা বৃদ্ধিতে রাজ্যে কমছে দুর্ঘটনার সংখ্যা। কমছে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারও। নবান্নে রোড সেফটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত ছ’মাসে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনার হার কমেছে ১৯.৫২ শতাংশ। দুর্ঘটনার মৃত্যুর হার কমেছে ১১.৫ শতাংশ এবং জখমের হার কমেছে ১৪ শতাংশ।

বাইক চালানোর সময় মাথায় হেলমেট বাধ্যতামূলক হওয়ায় দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার অনেক কমেছে। পাশাপাশি সিসিটিভি-র নজরদারিতে সাধারণ মানুষও গাড়ির গতি তোলার আগে দু’বার ভাবছেন। যার ফলে এড়ানো গেছে দুর্ঘটনা।

কয়েকদিন আগেই নবান্নে এই বিষয়ে এই বৈঠক হয়, বৈঠকে রোড সেফটি অ্যাপ নিয়েও আলোচনা হয়। ঠিক হয়েছে, যে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলেই পুলিশ এবং পরিবহণ দপ্তরের কর্তাদের কাছে কর্তাদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেবে এই অ্যাপ। এই অ্যাপটি চালু হয়ে গেলে কোথাও কোনও দুর্ঘটনা ঘটলেই দ্রুত পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা পৌঁছে যেতে পারবেন ঘটনাস্থলে।

প্রথমে এই অ্যাপটি হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটে চালু করা হবে। পরে হবে গোটা কলকাতায়। পরিবহণ দপ্তরের এক কর্তা জানান, দুর্ঘটনা কমাতে বেশ কয়েকটি অ্যাপ চালু করা হচ্ছে। এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ পৌঁছে যাওয়ায় মৃত্যুর হার অনেকটাই কমানো যাবে। অ্যাপের আওতায় আনা হবে অ্যাম্বুলেন্সকেও।

 

Kanyashree Scheme inspires themes at Durga Puja pandals 

The Kanyashree Scheme, which recently won the United Nations Public Service Award for its huge success in promoting education and empowerment for girl children and preventing child marriage, has inspired Durga Puja organisers across the State to adopt it as their themes for lighting and decorations at the pandals this year.

This will enable the further spread of the knowledge of and benefits from the scheme, and expansion of the various collateral social advantages that are helping in overcoming ills, many of which have become woven into the social and cultural fabric of the country, not just the State.

While searching for positive themes, many Puja organisers in Kolkata and the districts chose the Kanyashree Scheme. It will be used in various ways, both in the lighting and decoration that adorn the pandals during the Puja, which is a major attraction for visitors from outside the State as well. Thousands of people will now get to know the different aspects of the scheme, leading to its replication in other areas.

Not just Kanyashree, but other schemes and programmes like Sabuj Sathi, Shishu Sathi and Safe Drive Save Life are also being planned as themes for decorations and lighting during Durga Puja this year.

This is being actively encouraged by the State Government. It wants to spread information about its award-winning schemes and programmes to the farthest corners of the State and beyond.

For the famous lighting artistes from Chandannagar, and the pandal decorators from other places, these new themes are a welcome challenge. According to some, the organisers of Sreebhumi Sporting Club, Baranagar Lowland, Budge Budge DN Ghosh Road and a club from Howrah have already decided on the Kanyashree Scheme as a theme. Ten more clubs from Kolkata have shown interest, they said.

A sample of the lighting skills is likely to be on display during the Kanyashree Utsav programme at Netaji Indoor Stadium on July 28, the lighting artistes added.

Source: Bartaman

 

এবার পুজোর আলোয় মমতার হাতে বিশ্বসেরা কন্যাশ্রী সম্মান

রাষ্ট্রসংঘের একটি অনুষ্ঠানে ৬৩টি দেশের মধ্যে জনপরিষেবার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প ‘কন্যাশ্রী’ সেরার পুরস্কার আদায় করে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে সেই পুরস্কার নিয়েছেন। তার পরেই শুধু দলীয় স্তরে প্রচারই নয়, আসন্ন দুর্গাপুজোতে কলকাতার নামী পুজোগুলিতে সবুজসাথি, শিশুসাথি, সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফসহ রাজ্য সরকারি প্রকল্পগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ‘কন্যাশ্রী’র চাহিদা।

রাষ্ট্রসংঘের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পুরস্কার নেওয়ার মুহূর্তকে প্রায় ২০ হাজার এলইডি দিয়ে ৮ ফুট বাই ১২ ফুটের একটি নীল-সাদা ও সবুজ আলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন চন্দননগরের বিখ্যাত আলোকশিল্পী বাবু পাল।

বাবু বাবু বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজোয় চন্দননগরের আলো মানেই নতুন চমক। যা দেখার জন্য পুজোর কয়েকটা দিন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ কলকাতায় হাজির হন। তাই মুখ্যমন্ত্রীর ‘কন্যাশ্রী’ নিয়ে এই সাফল্যকে আলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার জন্য খবরটা শোনার পর থেকেই চিন্তাভাবনা শুরু করেছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দি হেগ শহরে পুরস্কার নিতে যাওয়ার আগেই আমরা এলইডির মাধ্যমে তাঁর ছবি আলোর বোর্ডে মকশো করে রেখেছিলাম। পুরস্কার নেওয়ার দৃশ্য দেখার পর থেকেই আমরা তা বোর্ডে ফুটিয়ে তোলার কাজ শুরু করি। ইতিমধ্যেই আমরা একটি বোর্ড সাজিয়ে তোলার কাজ শেষ করেছি। সামনে বিশ্ববাংলার প্রতীক গোলকটিকে রেখে মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রীর জন্য রাষ্ট্রসংঘের অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রদানের দৃশ্যটি আলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছি।

আলোকশিল্পী আরও বলেন, ২৫ জুলাই নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে কন্যাশ্রী উৎসবেও কন্যাশ্রীদের স্কুলে যাওয়া, প্রতিবেশীদের স্কুলে যেতে উৎসাহদানসহ আরও কিছু কর্মসূচি আলোর মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

 

 

This is a Govt of agencies, by agencies, for agencies: Mamata Banerjee

Trinamool Congress Chairperson and West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee speaks on the challenges she faces and the achievements of her government. Excerpts:

Q: You are heading into a meeting of the Opposition (on August 11). Your slogan BJP Bharat Choro was based on a united Opposition nationwide. Hasn’t Nitish Kumar’s exit dented that?

MB: No, I don’t think so. Because somebody will go, somebody will come. You have Left, Right, some left out. So, it is part and parcel of your politics…In politics, no one is permanent enemy and no one is permanent friend. Sometimes they go out, it is their prerogative, I don’t mind…I don’t think there is any debacle.

Q) Three years into the NDA, there is a perception that the government is popular; the BJP, with its electoral successes, is stronger. And the Opposition more fragmented, weaker.

MB: This government uses Twitter, Facebook, social media, internet like anything…They are spending a lot of money, they have a lot of money for that. These are sponsored projects…If you see from that angle, they are stronger. In my government, I do Twitter on my own. I have no sponsorship, nothing. Even I could use it, but I didn’t…
If you see from the grassroots angle, then people have started saying that (the NDA government) are very arrogant.

The people are scared, they are very much afraid. The businessmen are scared, they are scared. Even you, the press people, I am not saying about you individually…At the end of the day, I don’t think this ‘scare politics’, this ‘agency politics’ will be a success. Because this government has become a government of the (investigative) agencies: agencies of the government, by the government, for the government. The problem is this, if you talk to them quietly, personally, they will say something. But not in public…They will say please don’t allow us to say all this, otherwise I will be raided by the income tax, otherwise CBI will chase me. Otherwise, ED will chase us. So this is the phenomenon nowadays. Look at all the politicians fighting…You tell me…one person you show me, who has been left out? Only those who flatter them are left out…We know we have to face this battle every day. Sometimes, when democracy has to fight with autocracy, what can be done? We have to fight, somebody has to.

Q) You called this a government of the agencies.

MB: I said, people are saying that it is a government of the agencies, by the agencies for the agencies. Because people are scared and afraid. Why will I be afraid, you tell me? If I am in politics, if I am in a democratic movement, I shouldn’t be scared, no? It is my birthright, it is my political right, it is my democratic right, it is my constitutional right…that I must open my mouth…my voice…I can raise my voice. But why, if someone raises their voice, their voice will just be curbed through agencies — this is not proper. Because today someone maybe in government, tomorrow they may not be. This creates a new precedent.

Q) The BJP’s argument is that the government is pursuing the corrupt and there are allegations of corruption against many Opposition leaders. So it’s a battle between the corrupt and the not-corrupt.

MB: This is a mockery of democracy. We have a proverb: Chorer maer boro gola…it’s the mother of the thief who is the loudest…Now those who are really corrupt, they are the ones raising their voice…In Bengali, there is a word, ‘pocket maar’. They pick pockets and they have a gang…this may sound crude but I am just illustrating something. So when they pick someone’s pocket, their gang will shout, ‘pickpocket, pickpocket, pickpocket’. Ultimately, their intention is that the pickpocket should get away…So the BJP’s intention is (to say that) everyone is corrupt except them…But from demonetisation to GST, if you see, it is a case of big, big, big corruption. If you see the defence deals, there is corruption. How do you give all defence deals to a few (firms) from a one particular place…

Q) The BJP accuses you of Muslim appeasement.

MB: I can accuse the BJP of torturing Dalits, Muslims. I am a Hindu, they say she is not a real Hindu. So they are dividing Hindus and Hindus, Muslims and Muslims, they are dividing Dalits and Dalits, they are dividing Christians and Christians. They want to divide India, Bharat bhaag karo, Bharat bhaag banao. We don’t support this. Why will India be divided like this? Ours is a vast country, many languages, many castes, creeds, religions. When I am in the chair, I have only one religion, that is humanity. I have only one religion, that is I have to work for the people and that’s my Constitutional obligation. And I can’t say that when I am in the chair, I have to see only my caste, not see the other caste. I have to give more importance to those who are minorities also. That is our constitutional provision because it is a secular country…
The BJP wants that people should not ask about employment, people shouldn’t ask for bread and butter. People should not ask for relief, people should not ask for social justice. So the only one medicine is there, what medicine? Danga, danga, danga — only communal tension you create…Everyone knows that Abraham Lincoln’s quote: ‘You can fool some of the people, some of the time. You can fool all the people some of the time. But you can’t fool all the people all the time.”

Q) But the BJP is making inroads in West Bengal.

MB: Sometimes, you know, the press has to say something. The CPI(M) is lost. Who will be second, third or fourth? That is not my business…The CPI(M) has a good hobnobbing relationship with the BJP. So a few of their cadres have joined with the BJP. But I don’t think that matters…We are No.1. So who will be two, three or four — that is not my business. Opposition will be there — that is the people’s choice and it is the party’s choice. If I want to divide my vote to another party, what to do? That’s what the CPI(M) is doing, the Congress is also doing that sometimes, in my state.

Q) At the national level, however, the Congress looks very weak. What does that mean for you?

MB: I don’t want to say anything about their internal matters because it won’t look nice…But, of course, when Rajivji, was murdered – since then, Congress has been weakened, no doubt. But Soniaji tried her best and Soniaji is doing her best for the survival of the Congress…She can mix with people, she can stay with all. She is hope for the Congress party, that I believe. That she can lead the Congress…The party is running the government in Karnataka, Punjab, Puducherry…They have some organisation, maybe weak, maybe strong. They have lost but they have a party organisation…from Assam to Manipur, Manipur to UP, UP to Rajasthan, Rajasthan to Bihar, Bihar to MP, they are there. You can’t ignore.

Q) So a strong Congress helps the TMC?

MB: No, I think that TMC will help all regional parties and Congress, also, at the national level because we want that all the regional parties must be together and work as a collective family.

Q) Will there be one leader for the entire Opposition?

MB: Yes, leader means, somebody has to call the meeting, somebody has to coordinate the meeting, somebody has to mix with the people. There must be a grand alliance, there must be a chairman. There must be a convener.
What I said was Congress is a national party, we are also a national party. But they are running three or four governments. What is practical? I have differences in Bengal politics. Congress is fighting a battle along with CPI(M) against me. At times, they are with the BJP, too. So I have to battle with them, but at the national level for the greater interest, I do support them…Even Arvind Kejriwal, why he will be out (of this alliance)? He should be in. For the greater interest, everyone must be together. If CPI(M) is there and I don’t quarrel with them at the national level, because of the greater interest then, maybe, Arvind Kejriwal (can be in too). There may be differences between the Congress (and Kejriwal). But for the greater interest, they can work together.

Q) You mentioned Sonia Gandhi, how’s your rapport with Rahul Gandhi?

MB: I don’t have any problem with Rahul. He is a young boy. He is trying his best, sometimes some people may accept him, some may not. It depends on timing. If you say that under Rahul’s leadership, so many seats were lost…given the situation, I don’t think it’s good that we only blame him for that. I think it is the Congress party’s choice who will be its leader, it is not our choice.

Q) You don’t mind the CPI(M) being a part of the national opposition?

MB: I have no problem. Because I want that for the greater interest, the BJP must go.

Q) This willingness to work with the CPI(M) is a shift from your earlier stand.

MB: No, the CPI(M) is now a very small party. In Bengal, they are totally lost. Kerala and Tripura, they are there. But Kerala also, you know the problem — every day, it is going on. They can’t run the government smoothly. Even Kerala, in the Parliament election, I think Congress will do better. In Kerala, they change every five years…Like DMK and AIADMK. DMK will do just the reverse to that, this is my political analysis. And Tripura also, they are losing, I think so.

Q) Is there a chance for Mamata Banerjee as PM candidate for the Opposition in 2019?

MB: I am nobody. I don’t want anything also. Let me continue as a commoner. But I want that Opposition must be strong. This isn’t about who will be the PM or not. First, let us win the battle, then this matter will come. Let us decide this collectively. The regional parties, let us take them into confidence and we have to lead the regional parties. Regional parties must lead their region and the Congress party, from the Centre, must help the regional party also. Where the Congress is strong, we must help them. Where the regional party is strong, then Congress should help them. That should be the policy. I believe if we can do that, then in 2019, the BJP can get a farewell.

Q) But the BJP, too, has been reaching out to the regional parties.

MB: That’s OK because they are in power. They are breaking the party…They are spending lots of money for that purpose. This is not good for anybody. I am not saying just for BJP, let me be very frank. It is bad for every political party, when I am in power, I want to break the party. The BJP is in power and tomorrow they are not in power, who are supporting them today, they will change their colour within a second…What I can say? They started so many cases against Lalu Prasad, National Herald cases. Arrey bhai, this is also a paper, maybe. Sometimes the political party, a tradition is going on, a political party you don’t touch. Even the BJP wasn’t touched at the time of the Congress rule. Now you are disturbing everyone.
My income tax party? Every year they are doing this, in the name of scrutiny. Every year, it is not scrutiny, they want to threaten us like this, so that we should stop our voice. Now against Lalu Prasad, against P Chidambaram, against Sonia Gandhi, against Rahul Gandhi, against this DMK leadership, this AIADMK leadership, against BJD people, against those who are not supporting them…If you don’t support them, tomorrow there will be an agency. But we, too, must not be hypocrites. A political party can’t change its ideology just like we change saris or clothes.
With the Central government, I am very positive. I am not negative or destructive. I am telling you because I have been in politics for years, if the Central government asks me for any cooperation, in the Central government, I will fully cooperate. But for politics, my ideology is different. Politically, I will criticise. But government to government, I cooperate. Provided they don’t interfere in my federal structure. Now the federal structure is disturbed like anything.

Q) Why do you think Nitish Kumar switched?

MB: Why are you asking, only Nitish, Nitish? Let him do…(his) is a very small party. Now the seats will be divided three ways. BJP will get some seats, Lalu will get some seats, Congress will get some seats and he will get some seats. The chair will be divided.

Q) Are you going to Lalu Prasad’s rally in Patna later this month?

MB: Yes, because Laluji told me three months ago and I have decided to go. Yes, I will go.

Q) Will you request Mayawati to join the rally?

MB: That is Laluji’s rally, he will invite all of them. If all the parties join, I will be very happy. I am going to Ranchi, to attend a tribals’ meeting on August 31.

Q) What do you make of the Gujarat Rajya Sabha election results?

MB: This is like a suspense film. Really horrible, people saw this film live, until late night, till 2 am. It is a big victory for Ahmed Patelji and a big victory against autocracy and a victory of democracy. A defeat of arrogance and, I think, this is also a turning point. Let the Opposition parties and the parties supporting BJP also think twice. I want that everyone should come together. I am not basically against BJP, they are a political party, if they do the good thing, then we will support. They have some good leaders also, I respect. Individually, I have no vendetta or agenda for that.

Q) You have worked with the BJP, what are some of the key differences now?

MB: Atalji was very nice. Atalji was a very sensible man. Even Advaniji also…there were some problems between Atalji and Advaniji, but we never faced any problems. Because that time we worked with Rajnath Singhji, Arun Jaitleyji, Sushma Swarajji and other people also, Venkaiah Naiduji and others. They are very fond of us and we never quarrelled with them. Now I don’t know…Narendra Modiji has not behaved rudely with us, but when we talk…they behave nicely. But the party has too much arrogance.
Q) You have issues with Narendra Modi or the BJP?

MB: He is also from the BJP. I would say it’s (with) the BJP. I don’t have any personal vendetta against anyone.

Q) Have you ever interacted with BJP president Amit Shah?

MB: I don’t know him. I never met him. But I have seen his photograph.

Q) Tea?

MB: Why don’t you, from The Indian Express, arrange for us to have tea. (She laughs)

Q) Now he is coming to Rajya Sabha as MP.

MB: Then Derek (O’Brien) and other people can meet him every day…

Q) Switching subjects, how are your talks with the Centre on the Darjeeling hills agitation?

MB: I have talked to Home Minister Rajnath (Singh)ji many times on the issue and he is always positive. And we discuss the matter because there are so many other angles also. Darjeeling, luckily and fortunately, is one part of my state but it is not the whole of state, it is just one portion. They (the Gorkha Janmukti Morcha) were in power for about five years (as part of the Gorkhaland Territorial Administration) and now when there is an election knocking on the door, they have become very unpopular. Even in the last municipal election, they lost in many seats. So it’s nothing new. If you see Darjeeling history, every 10 years or 15 years or 20 years, they will do this.

Q) So what is the solution?

MB: Solution is peace, solution is development. Solution is let peace be restored, there may be talks, no problem.

Q) Who will you talk to?

MB: If they want to talk, I have no problem. I am not prejudiced, options are always open. We can talk to all the people, no problem. All political parties of Darjeeling, we can talk. We have called for many meetings, they didn’t join. But I don’t support hooliganism or the vandalism. How have they stopped education of children, students? They don’t allow the ration system. My one driver has been burnt, there is torture, burning, looting, arson…They have killed so many people from Panchayat office, to electricity office, to railway station, to bank, they have burnt.
They are getting some encouragement from outside. That the Central government also knows.

Q) What about their ethnic demand for a new state?

MB: It is not an ethnic demand, it is a design…through this design, they collect money and everything. They use arms, they are now using the national flag, they are using the Army dress that they are wearing. They are using foreign communication devices. If they don’t get anything from outside, how are they getting all this?

Q) Are you pointing fingers at China?
MB: I am not referring to China or Nepal or anything. It is for the government of India to find out but, of course, border countries are involved. Because we have documents — some people were caught red-handed and we have the foreign country’s currency, then the foreign communication devices, the mobile connections and also people, who are injured, are just sent to Nepal. Why?

Q) You have flagged this to the Centre?

MB: They know everything. We have already given all information.

Q) There’s a deterioration of relationship with China, tension in Bhutan. West Bengal is surrounded by all the states.

MB: We maintain good relationship with Bhutan and Bangladesh. Foreign policy is something we always support the Central government on…we don’t interfere. But we want that the government of India must keep in touch through all diplomatic channels. Whatever the Government of India feels is good for the country, they will do. We don’t say anything about that.
But in my state, if any problem is there, we have to face the problem. Because if you see Nathu la, if you see Arunachal, Nepal, Bhutan, all these are adjacent to my state and Bangladesh. Siliguri is the Chicken’s neck and that is our problem. That’s why the Central government must be strong to combat the situation. We are ready to extend our cooperation. Here I am, we are very much patriotic and we love our country like anything. It is our motherland. We are not going to compromise on anything.

Q) You spoke about jobs, bread and butter issues. As Chief Minister, what’s the biggest governance challenge in Bengal?

MB: This is the only state, I am proud to say, where we give, full medical treatment to people. Tell me, which other state gives from heart transplantation to kidney transplantation? Full medicine free…Full bed, free treatment, health for all…Of the 90.3 million people in the state, over 8 crore get rice at Rs 2 per kg and atta at Rs 3 per kg…free food, free health, free education. Even for higher education, my Kanyashree project has received the highest UN Public Award. There are 41 lakh girl children in the state. We give them Rs 750 scholarship every month, we give Rs 25,000 when they become 18 years old, if they don’t marry. And we have started for university also. For SC, STs, we have Shikshashree scholarship. For tribals, OBC and minorities, we give scholarships. For minorities also, within the OBC reservation, we gave 97% Muslims the reservation. So they are getting quite good education facilities.
Overall, in 2016-17, the state’s GSDP at constant prices grew by 9.27% in comparison to India’s 7.1%. Industry grew at 7.24% compared to India’s 5.2%; service sector grew at 11.19% against India’s 8.8% as count of GVA.
I am proud to say that 97% families in my total population have been covered by one, two, three even four schemes in Bengal. And this when we have Rs 40,000 crore as debt.

Q) How do you manage the debt with this increased expenditure?

MB: It is the only state where I have already done 300 meetings at the grassroots level. With the state secretariat, we go to the districts, we meet all block-level officers, panchayat samity chairmen, zilla parishad members, local MLAs, MPs…it is true that there is an increase in expenditure for welfare activities. In these meetings, we convey that while development is needed, so is austerity. Today, tax collection is up, growth is up.

Q) There is a common complaint, across cities and towns, even villages, of The Syndicate. Of young unemployed men, TMC supporters, running extortion rackets, harassing citizens. It was there during the CPI(M) time, too, but now it’s full of Trinamool men. When influential people complain, action is taken but not many have the clout to complain.

MB: In the press, media, there is also a syndicate. If one TV channel picks up a news story, irrespective of whether it’s correct or wrong, it will spread like anything. So some section of the press started this rumour.

Q) Do you think it’s an issue?

MB: It was an issue, during the CPI(M) time. Even in our time, some CPI(M) boys, they changed their (affiliation) and they started. But whenever a complaint comes to us, within five minutes, the matter is settled. There are some people, unemployed…it’s not like that in Bengal…but when it comes to 100 days work also, we are No.1…we are trying our best.

Q) You have told your MLAs (to keep a watch on this)?

MB: No, no, our MLAs are not doing that. But if you have a complaint for only 0.1 per cent, it is very minor. But we have sent a message that we are not going to tolerate this and if anything is violated, we immediately arrest them…my TMC MLA, I arrested, even my MPs I arrested and even my local corporation councillor, my panchayat. If there’s any wrongdoing by anybody, I might not take action against the opposition, but I have taken action against my people. So that the message should go, that they should be very disciplined. Charity begins at home, I maintain that.

 

দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী তো – চোরের মায়ের বড় গলাঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘দেশের বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক শক্তিগুলি একত্রিত হয়ে এককাট্টা আন্দোলনে নামলে ২০১৯সালে বিজেপিকে কেন্দ্রের ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে।’ তার জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তা হলে জাতীয় স্তরে বাংলার রাজনীতিতে তাঁর প্রধান শত্রু দুই দল কংগ্রেস ও সিপিএমের সঙ্গেও হাত মিলিয়ে লড়াই করতে আপত্তি নেই তাঁর ।

শুক্রবার দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধীর ডাকে সাড়া দিয়ে ১৬টি অবিজেপি রাজনৈতিক দলের বৈঠক থেকে বেরনোর পরে একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনই স্পষ্ট ভাষায় নিজের মত জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । শুধু তাই নয়, তিনি যেভাবে বাংলার রাজনীতিতে কংগ্রেস ও সিপিএমের সঙ্গে শত্রুতাকে একপাশে সরিয়ে রেখে সর্বভারতীয় স্বার্থে লড়াইয়ে রাজি, একইভাবে কংগ্রেসকেও আম আদমি পার্টির সঙ্গে তাদের দন্দ্বকে সরিয়ে রেখে একসঙ্গে লড়ার আহ্বান জানিয়েছেন ।

এরপরেই আরও স্পষ্ট ভাষায় গোটা দেশে বিজেপি বিরোধী এই ‘গ্র্যান্ড অ্যালায়েন্স’ সম্পর্কে তাঁর সহজ ব্লু-প্রিন্ট জনান, ‘সমস্ত আঞ্চলিক দলগুলিকেই তাদের নিজের নিজের রাজ্যে শক্তি বাড়াতে হবে । কংগ্রেসকেও কেন্দ্র থেকে সকলের পাশে দাঁড়াতে হবে । যেখানে কংগ্রেস শক্তিশালী সেখানে আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব, আবার যেখানে আঞ্চলিক দলগুলি শক্তিশালী তাদেরকে সাহয্য করতে এগিয়ে আসতে হবে কংগ্রেসকে। তা হলেই আগামী ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন হবে বিজেপির ফেয়ারওয়েল।’ তাঁর সঙ্গেই তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজ্যে কংগ্রেস তো সিপিএমের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে । কোথাও কোথাও বিজেপি’র সঙ্গেও আমাদের বিরোধিতা করছে । কংগ্রেস যেমন জাতীয় দল, আমরাও জাতীয় দল । তবে ওরা এখনও গোটা কয়েক রাজ্যে সরকার চালাচ্ছে। তাই বাস্তবটাও ভাবতে হবে । জাতীয় রাজনীতিতে একসঙ্গে লড়তে তো কোন সমস্যা নেই। সিপিএমের সঙ্গে আমার এতকালের লড়াই। কিন্তু জাতীয় রাজনীতিতে বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে লড়া সম্ভব ।’

তবে এর পাশাপাশিই দশের সমস্ত বিজেপি বিরোধী দলগুলির মধ্যে সবার আগে পারস্পরিক বিশ্বাস, মতের আদানপ্রদানের জন্যে এই প্রস্তাবিত ‘গ্র্যান্ড অ্যালায়েন্স’ বা মহাজোটের একটা ‘স্ট্রাকচারাল মেকানিজম’ ঠিক করা প্রয়োজন । এর সঙ্গেই প্রয়োজন একজন কোনও নেতা বা নেত্রীর। কাউকে না কাউকে তো এই জোটের চেয়ারম্যান হতেই হবে । কাউকে তো বৈঠক ডাকতে হবে ।’ সোনিয়া গান্ধিই এই মহাজোটের নেতা কি না, এই ধরনের কোনও উত্তর সরাসরি না দিলেও, সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা। তাঁর সম্পর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘রাজীব গান্ধীর হত্যার পরে কংগ্রেস অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিল । একমাত্র উনিই দলটাকে ফের আজকের জায়গায় ফিরিয়ে এনেছেন। কংগ্রেস দলের সবচেয়ে বড় আশার জায়গায় উনিই। নীতিশ কুমার দেশের বিজেপি বিরোধী এই জোট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে ফের এনডিএ তে ফিরে যাওয়া সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য, ‘এটা তো রাজনীতির অঙ্গ। কেউ আসবে আবার কেউ কেউ যাবে। তাতে আমাদের সম্মিলিত আন্দোলনে কোন প্রভাব পড়বে না’।

সবচেয়ে বেশি তিনি সরব হয়েছেন বিজেপি এবং বর্তমানে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন এনডিএ সরকারের দুর্নীতি নিয়েও। বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলির প্রথম সারির নেতাদের নানা ধরনের দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার যে সমস্ত কেন্দ্রীয় বিভিন্ন তদন্তকারী এজেন্সিগুলো করছে এবং বিজেপির তরফেও তোলা হচ্ছে, তা নিয়ে রীতিমতো আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘ওরা তো এমন খেলা শুরু করেছে যে ওদেরকে সমর্থন করলে খুব ভালো। ওরা ছাড়া বাকি সকলেই দুর্নীতিগ্রস্ত। ওদেরকে সমর্থন না করলেই কাল দেখবেন আপনার কাছে কোনও না কোন কেন্দ্রীয় এজেন্সি হাজির হয়ে গেছে। আসলে জানেন তো বাংলায় একটা প্রবাদ রয়েছে ‘চোরের মায়ের বড় গলা’। পকেটমারেরা পকেট কাটার পরেই তাদের দলের লোকজন ‘পকেটমারপকেটমার’ বল্র চেঁচাতে শুরু করে। তাতে সকলেই অন্য কোনও লোককে খুঁজতে শুরু করে আর আসল চোর সেই সুযোগে পালিয়ে যায়। বিজেপিও সেইরকমই, বাকি সকলেই চোর, ওরা ছাড়া’।

 

Will do everything to ease GST woes: Bengal CM

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee on Tuesday lashed out at the Centre for destroying the federal structure of the country as the state governments were being forced to follow their (Centre’s) policies despite having objections.

The West Bengal Assembly on Tuesday passed the State Goods and Services Tax (SGST) Bill, 2017. Trinamool’s ideological position on GST would not alter, the Bengal CM said. “The common people are facing problems and since we value democracy the party will stand behind the masses,” she said speaking in the Assembly after the passing of the Bill.

“The Centre could have fed many poor people with the money which had gone in the ad spend for creating awareness about GST… The country is now in an acute crisis,” she said. The state had issued an ordinance in June end to facilitate treasury operations by the government from July 1, the date of implementation of the new tax regime across the country.

The Bengal CM said that the state government had “no option” but to issue the ordinance on GST as otherwise, the state would not have been able to conduct any treasury operation. “The state government is sitting before the nozzle of a gun and the central government machinations forced us to do that,” she said.

The Bengal Chief Minister said the state government was clearly against the hasty implementation of the new tax regime and had urged the Centre to postpone it by two months. “But we were really hard-pressed and so the ordinance had to be issued.” The government, she said, needed money to pay salaries, make developmental expenditure and others. As the ordinance had a definite lifetime, it had to be ultimately ratified by the Assembly. She said owing to many objections raised by state finance minister Amit Mitra at the GST Council meetings, taxes on many items of common use had been lowered.

On Trinamool’s stand, she said, “Previously we had supported GST as it was portrayed to be uniform across the nation, but the experience is totally different.” The textile sector, medicine shops, small businessmen had been affected by the new tax law, she said, adding that demonetisation and GST were “two big scandals” perpetrated by the BJP-led government at the Centre.

 

বাধ্য হয়ে মানছি জিএসটি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কেন্দ্রের জন্য বাধ্য হয়ে রাজ্য পণ্য ও পরিষেবা কর ব্যবস্থা মেনে নিয়েছি কিন্তু গরিব মানুষের স্বার্থে এই কর সম্পর্কে আমাদের যে লড়াই, তা যেমন ছিল, তেমন চলবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মঙ্গলবার বিধানসভায় ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স’ বিল অনুমোদন করাতে গিয়ে এই কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, “পণ্য পরিষেবা করের ব্যাপারে আমরা কখনওই আমাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। এক দেশ এক কর ব্যবস্থা, আমরা সমর্থন করেছি। কিন্তু, সবসময় বলেছি, দেখতে হবে এর ফলে গরিব মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। উপযুক্ত পরিকাঠামো সারা দেশে গড়ে তোলার জন্যে, বিষয়টি সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করার জন্য, তাড়াহুড়ো না করতে অনুরোধ করেছিলাম। তা সত্ত্বেও ওরা তাড়াহুড়ো করেছে। গরিব মানুষের কথা ভাবেনি। এরপরেও গরিব মানুষের যেটুকু সুবিধা আছে তা আমাদের লড়াইয়ের জন্যই। আমাদের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র অনেক সময়ই একা লড়াই করেছেন। জয়ললিতা ছাড়া কেউ পাশে ছিলেন না। এর আগে আমরা অধ্যাদেশ জারি করেছি, এখন আইন করেছি। না–হলে কেন্দ্রের অসহযোগিতায় সরকারি কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যেত। আমাদের টাকা আমরাই ব্যবহার করতে পারতাম না। জিএসটি আইন হয়ে যাওয়ার পর এখন তো আর এমপাওয়ার্ড কমিটি নেই। কাউন্সিল হয়েছে। তার চেয়ারম্যান অরুণ জেটলি। তবুও আমরা সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিভিন্ন দ্রব্য ও পরিষেবায় করের হার কমানোর জন্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।”

অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জিএসটি নিয়ে এমপাওয়ার্ড কমিটিতে প্রচণ্ড লড়াই করেছি বলেই রাজ্যগুলো কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে। সুজন চক্রবর্তী জানান, বাংলার বঁড়শি সারা ভারতে এমনকী দেশের বাইরেও রপ্তানি হয়। বঁড়শি ও পোশাক শিল্পে যাতে করের বোঝা কমে তা দেখতে হবে। এবং ওষুধের ওপর বিশেষ করে জীবনদায়ী ওষুধের ওপর কর যাতে ৫ শতাংশের বেশি না হয় তা নিয়ে কেন্দ্রকে চাপ দেওয়া হোক।”

 

Mamata Banerjee launches BJP Bharat Chhoro Andolan from Medinipur

On the 75th anniversary of Quit India movement, Mamata Banerjee today raised the slogan “BJP Bharat Chhoro” at a public meeting in Medinipur.

Mamata Banerjee said she will go for a tour of different states to garner national support for Trinamool Congress’s “BJP Quit India” movement.

“I will go to New Delhi tomorrow. On August 27, I shall attend an anti-BJP rally at Patna. On August 30, I shall visit Jharkhand that is witnessing frequent incidences of attacks over dalits,” she said at the party rally.

She said her anti-BJP movement will continue till the current Union government is unseated in the 2019 Lok Sabha elections.

“Yesterday throughout the night we saw the battle between democracy and autocracy. I am glad that finally democracy won,” she said referring to the victory of Ahmed Patel for election to Rajya Sabha from Gujarat.

She also said that in Bengal, Trinamool Congress will organise block-level programmes in support of “BJP Quit India” movement till September 5. “We will give a break during the festive season and after that again the party will go ahead in full swing with different political programmes that will continue till 2019 Lok Sabha elections,” she said.

Mamata Banerjee also took at a dig at BJP general secretary, Amit Shah, without naming him for having lunch at the residence of a dalit in north Bengal. “On the one hand, BJP will encourage atrocities on dalits and one the other their leaders will have lunch at the residence of a dalit. These two things cannot go on together,” she remarked.

The Trinamool Congress chief also described CPI(M) as a hypocrite and alleged it is a clandestine partner of BJP. “CPI(M) is a party of hypocrites that follow double-standards. When they go to the hills they speak of division of the state and in the plains they speak differently. They have clandestine understanding with BJP,” she said.

 

মেদিনীপুরে ‘বিজেপি ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের সূচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বিজেপি’র সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে আজ থেকে শুরু হল ‘বিজেপি ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন। চলবে আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই আন্দোলন হবে সারা বাংলা জুড়ে। আজ মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে একটি জনসভা থেকে এই কর্মসূচীর সূচনা করলেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ

আমরা ভারত ভাগ হতে দেব না। যারা দিল্লিতে ক্ষমতায় আছেন তারা দেশটাকে ভাগ করতে চাইছে। কেউ কেউ রাজনৈতিক স্বার্থে আবার বাংলাও ভাগ করতে চাইছেন।

সিপিএম-বিজেপির কোন পার্থক্য নেই। সিপিএম এক এক জায়গায় এক একরকম কথা বলে। পাহাড়ে গেলে বলে বাংলা ভাগ করে নিতে, সমতলে থাকলে বলে আমরা ওয়াক আউট করলাম।

৩৪ বছর ধরে সিপিএম বাংলাকে জ্বালিয়ে শেষ করে দিয়েছে। মেদিনীপুরে এখনোও মাটির নীচে কত নরকঙ্কাল পুঁতে রেখেছে তাঁর কোন হিসেব নেই। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-নেতাই কোথাও বাকি নেই ওদের অত্যাচারের। কেউ কেউ সম্পত্তি আর নিজেদের রক্ষার স্বার্থে দিল্লির নেতাদের হাত ধরেছে। বিজেপির হাত ধরে সিপিএম ভারতেও বাঁচা যাবে না, বাংলাতেও বাঁচা যাবে না।

এটা রাজনৈতিক লড়াই। গণতন্ত্রের লড়াই। সংঘাত আদর্শের, দর্শনের, চিন্তনের, মননের। ব্যক্তিগতভাবে কারো সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই।

দলিতদের পিটিয়ে মারব, আর ফাইভ স্টার হোটেলের খাবার নিয়ে দলিতদের বাড়িতে গিয়ে লোক দেখিয়ে খেয়ে ছবি তুলব, এই রাজনীতি দিয়ে দলিতদের ভালোবাসা যায় না। আদিবাসীদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৩১ আগস্ট আদিবাসীদের সমর্থনে সভা করতে আমি ঝাড়খণ্ড যাব। ২৭ তারিখ বিহারে লালু প্রসাদ যাদব জি-র পাটনার সভায় যাব।

ভারত ভাগ করার খেলা আমরা করতে দেব না। ভারতবর্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। কিন্তু এটা কি হচ্ছে – যারা ক্ষমতায় থাকবে শুধু তারাই থাকবে, আর বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে হবে, মুখ বন্ধ করে দিতে হবে? আজ শাসকদলের under এ ভারতবর্ষ বিপন্ন। ভারতবর্ষের গণতন্ত্র , মানুষের স্বাধীনতা বিপন্ন, মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার বিপন্ন।

তাই আমাদের স্লোগান – বিজেপি ভারত ছাড়ো, সাম্প্রদায়িকতা ভারত ছাড়ো, অসহিষ্ণুতা ভারত ছাড়ো। আমাদের এই লড়াই চলছে, চলবে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব ব্লক, বুথে মিটিং-মিছিল চলবে।

কাল সারা রাত ধরে গুজরাত নিয়ে গণতন্ত্র বনাম একনায়ক তন্ত্রের খেলা হয়েছে। অবশেষে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে; এটাই ভারতবর্ষের সহিষ্ণুতা, ভারতবর্ষের শক্তি।

জোর করে নোট বাতিল, নোট বন্দি থেকে জনগণ বন্দি, GST র নামে জনগণকে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কখনো বলে এসব গরিব লোকেদের স্বার্থে করেছে। গরিব মানুষ কারা? তাদের চিনি, কেরোসিন তেল বন্ধ করে দিয়েছে, ICDS এর টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আধার কার্ড না হলে মিড ডে মিল পাবে না, ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে না, জিনিসপত্র কেনা যাবে না – কোন আঁধারে আমরা রয়েছি? মানুষকে জোর করে বাধ্য করছে।

কেন নোট বন্দির জন্য ভারতবর্ষের ১০০ জন প্রাণ দিয়েছে। কার দোষে এতগুলো নিরীহ মানুষকে প্রাণ দিতে হল?

আমি একটা কথা বলি বিজেপি সরকারকে, কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে নোট বন্দির নামে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছিল, সেই টাকাগুলো আজও সেইভাবে পড়ে আছে কেন? সদুত্তোর চাই। টাকাটা যদি জনগণের হয়, তাহলে জনগণের টাকায় কি করবেন সরকার? জানান। আর যদি জনগণের না হয়, সেটাও কি করবেন সরকার জানান। ৪৫ হাজার কোটি টাকার মুল্য তো কম নয়, একটা স্টেটের বাজেট হয়ে যায়, এটা মাথায় রাখতে হবে।

নোট বন্দির নামে বেকারি বেড়েছে, যারা বাইরে কাজ করত, ফিরে এসছে, কৃষকরা জমিতে ফসল করতে পারে নি, ১০০র ওপর লোক মারা গিয়েছে।

এই জিএসটি আমরা চাই না। আমরা বাধ্য হয়েছি আইন করতে কারণ আমাদের স্টেটের ট্রেসারির ট্রানজাকশন বন্ধ করে দিচ্ছিল।

মিষ্টির দোকানে যান, দই খেলে ২৮% ট্যাক্স, আর লস্যি খেলে ট্যাক্স নেই। বাংলার ঘিয়ে ১৪% ট্যাক্স, গুজরাতে ঘিয়ে তিন% ট্যাক্স। আমরা কারোর বিরুদ্ধে নই। কিন্তু, এটা কেন হবে?

আমরা বারবার বলেছিলাম জিএসটি নিয়ে তাড়াহুড়ো করে করতে যেও না, মানুষকে সময় দাও, বুঝতে দাও, জানতে দাও। তা না, সব বন্ধ, খুচরো বাজার বন্ধ, টেক্সটাইল বাজার বন্ধ, সমস্ত কিছু বন্ধ হয়ে গেছে আজকে প্রায়।

ওরা মানুষের মধ্যে ভাগাভাগি করে দিচ্ছে। আমরা চিরকাল সব ধর্ম সকলে একসাথে বসবাস করেছি।

একতাই সম্প্রীতি এটাই আমাদের বাংলার সংহতি। ভারতবর্ষের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই ভারতবর্ষের বড় কথা।

দিল্লি থেকে এল নকল রাম, সাথে জুটল সিপিএমের বাম। বাবুরা শিখিয়ে দিচ্ছেন তরোয়াল নিয়ে রাস্তায় নামতে।

দাঙ্গার থেকে বড় শত্রু আমাদের জীবনে আর কিছু নয়।

Manish Gupta asks a Question about sanctioned work-charged posts in Railways

FULL TRANSCRIPT

Sir, the issue of work-charged staff in the Railways is very old and will continue for many years. We have this issue in other departments of the Government too; work-charged staff is a serious issue.

Now, I would like to ask the Minister, through you Mr Chairman, whether the Railways is deploying any other policy to control this malaise. Is something like benchmarking of manpower productivity ratio being continuously done because it is a useful tool to control the dynamics of work-charged staff?

 

 

Mamata Bala Thakur asks a Question on Swadhar Greh Scheme

FULL TRANSCRIPT

How many educational benefits have children been given and what is the policy that has been adopted to make children more educated to help save them from child labour? How many congeries have been organised?

The national women’s helpline number, 18181, does not work/function properly. The Various States have their own helpline numbers, most of which do not function properly as well. It is due to this, that rural women are facing a lot of trouble and confusion.

My question is that whether this Government has taken any practical, concerted efforts via helplines to assist women and what are the various schemes available and for how long will one helpline number be applicable?

Thank you.