Didi Direct

March 27, 2018

Time is up for the BJP: Mamata Banerjee

Time is up for the BJP: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today visited the Parliament where she met leaders of various political parties. She met MPs from TRS, TDP, RJD, DMK and the Shiv Sena. The CM held a meeting with NCP leader Sharad Pawar Ji also.

Following the meetings, the Trinamool Chairperson addressed the media at the party office in Parliament.

Highlights of her speech:

Today, they (govt at the Centre) appear to have captured everything. Just see, before the EC announces the dates (of Karnataka elections), the party is tweeting it. What is this? All the agencies are being used and misused like anything. It’s not for any political party to know… this is a very bad gesture.

Be it the TDP, the Shiv Sena, or TRS, they were all with the BJP. Now they have all left. Which party does the BJP have good ties with? And if Akhilesh (Yadav) and Mayawati are together, then no one can do anything.

False news are being spread by the BJP after it sets itself up with the media. They use money to spread fake news. I don’t believe a single bit of it.

Mayawati ji is a national leader and I respect her. If she and Akhilesh (Yadav) call a meeting in Lucknow and invite us, we will all go. And they should offer us a cup of tea!

I was with NDA once when Atal ji was in charge. There was no problem. But now they are in control of everything, including the media. If the judiciary and the media are controlled from somewhere, then how will democracy function? You all write about them, but also write what the Opposition says. Now, 80 per cent of the news is fake news. Why should it be that those who have money can only do politics?

Political parties must sacrifice for the people, they must do social work. They just can’t brag about building the largest party office in the country. Politics means dedication and devotion. It is not a business, not a commercial obligation. It is a social compulsion. That is the basic difference between the political parties and the others.

I have been an MP for seven terms – I have served as the minister in different departments; I have been part of standing committees. I can sense the mood of the Parliament. All I can say about 2019 is that the mood in Parliament is different. Members have started, what shall I say, packing their bags.

Otherwise how will you explain a no-confidence motion, whichever party’s it may be, lying in the House with no discussion? Opposition parties want discussion. But if one of them, the AIADMK, have their demands, the other parties too have theirs. They should understand that. Had Jayalalitha Ji been alive now, she would not have supported this (action of AIADMK). It is unfortunate she is no more. I had great respect for her. But now they will not listen to any other party. We have not brought a no-confidence, but we should listen to what the others who have have to say. Even the BJP is afraid – several MPs will not vote (in favour of the government). That is what I’ve heard… those who have not got tickets… that is what is doing the rounds.

The DMK will win in Tamil Nadu with a landslide; in Telangana TRS, and Chandrababu Naidu’s TDP is also pretty good in Andhra. Regarding BSP-SP alliance, sometimes there are political compulsions. That is political adjustment, political reality. The Shiv Sena is also fighting (against the BJP). There is no party more communal than the BJP. In the name of Hinduism, they organise rallies with pistols in their hands. They are giving Hinduism a bad name.

We want to work together. No one should remain isolated. Wherever someone is strong, they should be allowed to lead. If in UP Mayawati and Akhilesh are strong, they should work together. We should help them. In Tamil Nadu, we should help the DMK. Like this there are some other states where a regional party is strong. We have to help them. Like TRS in Telangana; we will help them. In Bihar, we will help Lalu Ji, while in Odisha, the BJD is strong; we will help Naveen Pattanaik. That is how it should be done, so that the contest is one is to one.

I just had a meeting with Sharad Pawar Ji… we are all of the same opinion. I met some parties today and will again meet some other parties tomorrow. I’ll be meeting Shatrughan Sinha, Yashwant Sinha, Arun Shourie – they will be coming to my house tomorrow. Sonia (Gandhi) Ji is not well. I sent Dinesh Trivedi to her house to enquire about her health. Let her recover. I keep in touch with her every day.

The data stealing is bad. Everyone’s data has been stolen. And even at this moment, when I am talking with you, there may be a sting operation going on. Politics has been replaced by sting operations. You pay money and get something done against someone. That is what is happening now. I’m surprised. Leaders are saying they have to gamble and end the careers of their adversaries. I have never heard such things before.

I will keep raising my voice against linking Aadhaar to bank accounts and phones. Even if nobody is there, I will raise my voice alone. It has been proved now. There are no rights – no privacy, no fundamental or democratic rights… where will the people go? Is this a democratic country? Even after the Supreme Court gave an observation that a Constitution Bench will take it (Aadhaar linking issue) up, the banks are sending messages every day to link… this a contempt of the Supreme Court.

And it’s not just Cambridge Analytica… with money, they are using and misusing various agencies. I respect bureaucrats. But I will appeal to them not to misuse everything that is asked for by a political party for its gain. A party is in power today and will be gone tomorrow. Why should they be victimised for that?

And the media too – I don’t blame you because you are the employees. But the media owners should understand. All the support is one-sided. Democracy means both the sides should have a voice. All these dealings have come out in Cobrapost. We have seen everything… Are all these signs of ‘achhe din?’ It either has to be an impartial institution or a BJP institution. What should it be, you say? It is very unfortunate that all the agencies are being controlled like this. It is not good for the country. What are we leaving for the future generations?

Everyone must come out boldly and tell the truth. It doesn’t matter if they send the ED or CBI – we are not afraid of that.

One thing that the media must take notice of is that a message has gone across the country, to the grassroots. After demonetisation, GST, and bank fraud, whether you admit it or not, the amount of harassment the public has faced has resulted in this government losing all its credibility, all its credentials. It’s credibility has become zero. It is not the people’s choice now. And they are still giving threats…

I have gone to all the states. They have their own compulsions. That is why we respect all the states.


বিজেপির সময় শেষ হয়ে এসেছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ দিল্লীতে সংসদ ভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলের কার্যালয়ে তিনি বিভিন্ন দলের সাংসদদের সাথে দেখা করেন। টিডিপি, টিআরএস, আরজেডি, ডি এম কে ও  শিব সেনার সাংসদদের সাথে দেখা করেন তিনি। এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের সাথে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী।

তার বক্তব্যের কিছু অংশ:

এই মুহূর্তে, কেন্দ্রীয় সরকার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। যেমন, আজ নির্বাচন কমিশন কর্নাটকে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করার আগেই দল টুইট করে জানাচ্ছে। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের জানার কথা না। এসব কি হচ্ছে? সমস্ত সাংবিধানিক সংস্থাকে ইচ্ছেমতো ব্যবহার করা হচ্ছে… খুব খারাপ সঙ্কেত।

টিডিপি, শিবসেনা, টিআরএস – সকলেই বিজেপির সঙ্গে ছিল, এখন সবাই জোট ছেড়ে বেরিয়ে গেছে। কোন দলের সঙ্গে বিজেপির ভালো সম্পর্ক আছে? অখিলেশ ও মায়াবতীর জোট হলে, তাঁদের হারানো সহজ হবে না।

মিডিয়ার সাহায্যে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ওরা ভুল তথ্য ছড়াতে টাকা ব্যবহার করছে। আমি তাদের একটুও বিশ্বাস করি না।

মায়াবতী একজন জাতীয় নেত্রী, আমি তাকে শ্রদ্ধা করি। তিনি ও অখিলেশ (যাদব) যদি লখনৌতে কোনও বৈঠক করেন ও আমায় আমন্ত্রণ করেন, আমি অবশ্যই যাব। এক কাপ চাও খেতে পারি।

অটলজির সময় আমিও এনডিএতে ছিলাম। তখনকার বিজেপি আর এখনকার বিজেপিতে আকাশ-পাতাল ফারাক। এখন কেন্দ্র সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে, এমনকি মিডিয়াকেও। যদি সংবাদমাধ্যম এবং আইন ব্যবস্থা কেউ নিয়ন্ত্রন করে, গণতন্ত্র কি করে থাকবে? তোমরা ওদের (বিজেপি) কথা লেখো, সঙ্গে বিরোধীদের কথাও বল। এখনকার খবরের ৮০ শতাংশই ভুল তথ্য (ফেক নিউস)। যাদের টাকা আছে তারাই শুধু রাজনীতি করতে পারবে?

রাজনৈতিক দলগুলি মানুষের জন্য ত্যাগ করবে, সমাজের কাজ করবে। দেশের সবথেকে দামী পার্টি অফিস তৈরী করাতে কোন গরিমা নেই। রাজনীতি মানে ডেডিকেশন, ডিভোশান। এটি কোনও ব্যবসাও নয়, অর্থ উপার্জনের মাধ্যমও না। রাজনীতি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। এটাই মূল তফাত একটি রাজনৈতিক দল ও অন্যদের মধ্যে।

আমি সাত বারের সাংসদ। আমি অনেক দপ্তরের মন্ত্রীও ছিলাম, স্ট্যান্ডিং কমিটিতেও ছিলাম। আমি সংসদের মুড বুঝি। আমি ২০১৯ এর ব্যাপারে বলতে পারি, সংসদের মুড বদলাচ্ছে। অনেক সাংসদরা ব্যাগ গোছাতে শুরু করেছেন।

নয়তো অনাস্থা প্রস্তাব আটকে থাকে কি করে? আলোচনা করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিরোধীরা আলোচনা চায়। যদি এআইএডিএমকের দাবি থাকে, বাকিদেরও আছে। এটা ওদের বোঝা উচিত। জয়ললিতা জি বেঁচে থাকলে, উনিও এই আচরনের বিরোধিতা করতেন। দুঃখজনক যে তিনি আজ আর নেই। ওনার প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা আছে। আমরা অনাস্থা প্রস্তাব আনি নি। কিন্তু, অন্যদের কথা শোনা উচিত। এমনকি বিজেপিও ভয় পাচ্ছে যে তাদের সব সাংসদ সরকারের পক্ষে ভোট দেবে না। আমি তো এমনটাই শুনেছি।

ডিএমকে তামিলনাড়ুতে জিতবে, তেলেঙ্গানায় টিআরএস, অন্ধ্রতে টিডিপি। এসপি-বিএসপি জোট নিয়ে বলব, আনেক রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থাকে, কড়া সত্য। শিবসেনাও লড়ছে (বিজেপির বিরুদ্ধে)। বিজেপির মত আর কোনও সাম্প্রদায়িক দল নেই। হিন্দুত্বের নাম করে তারা বন্দুক নিয়ে মিছিল করছে। তারা হিন্দুত্বের বদনাম করছে।

আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। কেউ যেন বাদ না যায়। যে যেখানে শক্তিশালী, তাকে সেখানে লড়তে দেওয়া উচিত। উত্তর প্রদেশে অখিলেশ ও মায়াবতী শক্তিশালী, তামিলনাড়ুতে ডিএমকে। তাদের সাহায্য করা উচিত। অন্যান্য রাজ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক দল শক্তিশালী হলে, তাদের সাহায্য করা উচিত। তেলেঙ্গানায় টিআরএস, বিহারে লালুজিকে আমরা সাহায্য করব, ওড়িশায় নবীন পট্টনায়েকের বিজেডিকে সাহায্য করব। যাতে লড়াইটা একের বিরুদ্ধে একের হয়।

এখন শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করলাম, আমাদের সকলের এক বক্তব্য। কিছু দলের সঙ্গে আজ দেখা করেছি, কিছু দলের সঙ্গে কাল দেখা করব। শত্রুঘ্ন সিনহা, যশবন্ত সিনহা, অরুণ শৌরী আমার বাড়ি কাল আসবেন। সনিয়া গান্ধী অসুস্থ, আমি দীনেশ ত্রিবেদীকে পাঠিয়েছি ওনার খবর নিতে। আমি রোজ খবর নিই।

তথ্য চুরির ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক, সকলের তথ্য চুরি হয়ে গেছে। এই যে আমি এখন আপনার সঙ্গে কথা বলছি, হয়ত এখনও স্টিং অপারেশন চলছে। রাজনীতি এখন স্টিং অপারেশনের ওপর দাঁড়িয়ে। টাকা দিয়ে যে কেউ তার বিরোধীদের বিরুদ্ধে যা ইচ্ছে করতে পারে। এখন এটাই হচ্ছে। অনেক নেতা ভয় পাচ্ছেন। আগে কোনোদিন আমি এরকম কিছু শুনিনি।

আমি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ফোনের সাথে আধার লিংক করার বিরোধিতা করে যাব। যদি সাথে কেউ না থাকে, তবুও, আমি একা লড়ে যাব। মানুষের এখন কোনও অধিকারই নেই – না গণতান্ত্রিক, না মৌলিক, না ব্যাক্তিগত। মানুষ যাবে কোথায়? একটি গণতান্ত্রিক দেশে এটা সম্ভব? সুপ্রিম কোর্টও অবজারভেশন দিয়েছিল যে, আধার মামলা সাংবিধানিক বেঞ্চ শুনবে। ততদিন আধার লিংক করাতে হবে না। তবুও ব্যাঙ্ক থেকে মেসেজ এসেই চলেছে। এটা সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা।

শুধু কেমব্রিজ অ্যানালেটিকা নয়, টাকার সাহায্যে, বিভিন্ন এজেন্সির অপব্যবহার করছে কেন্দ্র। আমি আমলাদের সন্মান করি। আমি তাদের অনুরোধ করব কোনও একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তারা যেন ক্ষমতার অপব্যবহার না করেন। আজ একটি দল ক্ষমতায় আছে, কাল হয়ত তারা ক্ষমতায় থাকবে না। আমলারা কেন ভুগবেন?

সংবাদমাধ্যমও… আমি সাংবাদিকদের দশ দিয়ি না, তারা তো কর্মচারী মাত্র। যারা সংবাদমাধ্যমের মালিক, তাদের বোঝা উচিত। তারা শুধু একতরফা ভাবে একটি দলকে সমর্থন করছে। গণতন্ত্রে দুতরফেরই বক্তব্য তুলে ধরা উচিত। গোপন অনেক ডিলের খবর ফাঁস করেছে কোবরাপোস্ট। সব দেখা হয়ে গেছে… এটাই কি আচ্ছে দিন? আজ যেকোনো প্রতিষ্ঠান হয় নিরপেক্ষ নয় বিজেপি-ঘেঁষা। এমনটা কেন হবে? এটা দেশের পক্ষে মঙ্গলকর নয়। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা কি নিদর্শন রেখে যাচ্ছি?

সবার উচিত এগিয়ে এসে সত্যের পক্ষ সমর্থন করা। ওরা (কেন্দ্র) যদি ইডি, সিবিআই লাগিয়ে দেয়, আমরা ভয় পাই না।

সংবাদমাধ্যমের বোঝা উচিত যে দেশে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত একটি বার্তা গেছে। নোটবন্দি, জিএসটি, ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ফলে মানুষ ত্রস্ত। মিডিয়া মানুক না মানুক, দেশের মানুষ এই সরকারের ওপর আস্থা হারিয়েছে। মানুষের চোখে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে ঠেকেছে। তবুও, তারা (কেন্দ্র) হুঁশিয়ারি দিচ্ছে।

আমি সব রাজ্যে গেছি। আমি তাদের বাধ্যবাধকতা বুঝি। তাই আমি সব রাজ্যকেই সম্মান করি।