Latest News

April 14, 2018

SC/ST welfare in Bengal

SC/ST welfare in Bengal

Today, April 14, is the birth anniversary of the great social reformer, jurist, economist and politician, Dr BR Ambedkar. He is also known as the ‘Father of the Indian Constitution’, having been the head of the committee that framed the Constitution.

On this day, let us take a look at the ways the Trinamool Congress Government has helped scheduled castes (SC), scheduled tribes (ST) and other backward classes (OBC).

The Government is preserving and uplifting the unique culture, language and scripts of the various tribal communities. It is trying its best to impart education to these communities in their own languages. For example, the Ol Chiki script has been made optional for students in Madhyamik and Higher Secondary examinations.

SIGNIFICANT ACHIEVEMENTS

Shikshashree scholarship scheme

• Introduced for SC students from Classes V to VIII during FY 2014-15
• From 2014 to 2017, almost 38 lakh students covered
• Scheme brought under e-governance

Reservation in government sector and higher education

• 17% reservation for OBCs, without curtailing general category seats
• 17% reservation in State Government jobs for OBCs
• Special recruitment drive initiated to fill up vacant posts in the reserved categories of various departments

Development and Cultural Boards

• Seventeen development and cultural boards constituted for development of the seventeen communities
• Eleven boards under the Backward Classes Welfare Department
• Six boards under the Tribal Development Department

Caste certificates

• E-enabled services for issuance of caste certificates and disbursement of scholarships introduced, resulting in greater transparency, speedy disposal of cases, easy access, retrieval and increased coverage
• Issuance of SC/OBC certificates doubled, from 4.8 lakh between 2006 and 2011 to 9.6 lakh between 2011 and 2016

Educational and job opportunities

• 35 hostels built for SC students between 2011 and 2017
• About 55,000 SC candidates provided skill development training, of which about 45,000 achieved self/job employment
• About 22,000 SC female folk artistes provided livelihood opportunities in beauty care segment
• People belonging to SC category having low income being provided opportunity for self-employment in various sectors through loan and subsidy assistance; average annual coverage has gone up considerably to 60,000.

 

বাংলায় তপসিলি জাতি ও উপজাতির উন্নয়ন

‘ভারতীয় সংবিধানের জনক’ বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকরের স্মৃতির উদ্দেশ্যে তাঁর জন্মদিন ১৪ই এপ্রিল, প্রতি বছর সারা রাজ্যে ‘পবিত্র দিন’ হিসেবে পালন করা হয়। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে অনগ্রসর শ্রেণীর উন্নয়নে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় ‘আমাদের রাজ্যে প্রচুর তপসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষ আছেন, যার মধ্যে ৩০ লক্ষ তপসিলি জাতির পড়ুয়া আছে। ওদের উন্নয়নে আমাদের জোর দিতে হবে। আমরা তাদের সংস্কৃতি, ভাষা ও লিপি রক্ষা ও উন্নয়ন করতে জোর দিচ্ছি। এইসকল মানুষদের তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষা দিতে আমরা চেষ্টা করছি।’

তাদের জন্য নেওয়া কিছু প্রকল্পঃ

 

শিক্ষাশ্রীঃ

• ২০১৪-১৫ সালে পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেনীর তপসিলি জাতির ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ‘শিক্ষাশ্রী’ বৃত্তি চালু করা হয়।
• ২০১৪-১৭ সালের মধ্যে ৩৮ লক্ষ ছাত্র ছাত্রী এই বৃত্তি পায়।
• বর্তমান অর্থবর্ষে এই প্রকল্প ই-গভর্ন্যান্সের আওতায় আনা হয়েছে।

 

সরকারি ক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষায় সংরক্ষণঃ

• সাধারণের জন্য আসন সংখ্যা না কমিয়েই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান(শিক্ষায় সংরক্ষণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১৭% সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগের ফলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীরা প্রভূত উপকৃত হয়েছে।
• অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীভুক্ত মানুষদের জন্য রাজ্য সরকারি চাকরিতেও ১৭% সংরক্ষণ প্রথা চালু করেছে।
• বিভিন্ন পদের ক্ষেত্রে সংরক্ষণের সার্বিক শতাংশ বজায় রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিভাগের শূন্য পদ (সংরক্ষিত ক্যাটেগরি) পূরণের জন্য বিশেষ নিয়োগ অভিযান শুরু করা হয়েছে।

 

উন্নয়ন/সাংস্কৃতিক পর্ষদঃ

• সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলির উন্নয়নের জন্য অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর এবং আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর ১৭টি নতুন উন্নয়ন/সাংস্কৃতিক পর্ষদ গঠন করেছে।
• ১১টি অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য
• ৬টি আদিবাসী শ্রেণীর জন্য

 

জাতিগত শংসাপত্রঃ

• জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া এবং বৃত্তি বা ভাতা প্রদান করার জন্য ই-প্রযুক্তি-নির্ভর পরিষেবা চালু করা হয়েছে, যার ফলে অধিকতর স্বচ্ছতা, দ্রুতগতিতে কাজের নিস্পত্তি, সহজে তথ্য প্রাপ্তি, পুনরুদ্ধার এবং অন্তরভুক্তিকরণের পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যের সকল মহকুমায় জাতিগত শংসাপত্রের অনলাইন প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি চালু হয়েছে।
• তপসিলি জাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর শংসাপত্র প্রদান যা ২০০৬ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ৪.৮ লক্ষ ছিল, তা ২০১১ থেকে ২০১৬র মধ্যে দ্বিগুন হয়ে ৯.৬ লক্ষ হয়েছে।
শিক্ষা এবং চাকরিগত সুযোগ সৃষ্টিঃ

• ২০১১-২০১৭ সালের মধ্যে বহিরাগত তপসিলি ছাত্রছাত্রীদের প্রয়োজন পূরণের জন্য ৩৫টি হস্টেল অনুমোদিত হয়েছে।
• গত ছয় বছরে প্রায় ৫৫০০০ তপসিলি জাতির প্রার্থী বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষন পেয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫০০০ জন স্বনির্ভর হয়েছেন/কাজ পেয়েছেন।
• প্রায় ২২০০০ তপসিলি মহিলা লোকশিল্পীর জন্য সৌন্দর্য চর্চা ক্ষেত্রে জীবিকার সুযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
• তপসিলি জাতির স্বল্প আয়ের মানুষদের ঋণ এবং ভর্তুকি সহায়তার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বনিযুক্তির জন্য সুযোগ দানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা ২০১১ সালের আগে যেখানে ছিল ৩৫০০০, বর্তমানে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০০০০।