Latest News

August 31, 2017

Bengal shows the way in agricultural growth

Bengal shows the way in agricultural growth

Bengal is a largely agricultural economy with 96% of the 7.23 lakh farm families being marginal and small farmers (with the average size of their landholdings being only 0.77 ha.). As an economy that is as heavily dependent on and replenished by agriculture, the current State Government has not only identified its palpable potential but has striven to resurrect it from the destruction left at the heels of the preceding governments.

As the champion of the cause of the farmer and having risen on the manifesto that promised to continue this fight for the rights of the farmers, Trinamool Congress leader and the Hon Chief Minister, Mamata Banerjee and her Government have introduced a host of reforms, policies and schemes that have been successful in infusing a steady rigour into the agricultural market as well as in all other aspects of the sector.

●     The expenditure in Agri and Agri-allied Sector has been increased more than 6 times over the past six fiscal years, from Rs. 3,029 Crore in 2010-11 to Rs. 18,326 Crore in 2016-17.

●     In its 2017 Annual Budget the Government, recognising the devastating effect of demonetisation on the Agricultural Sector, allocated Rs. 100 crores to a special assistance fund to mitigate the sufferings of affected farmers.

●     Agricultural income has also, subsequently, increased remarkably. This is depicted best in the increase in farmer’s household annual income from  91,000 in 2010-11 to almost  2,00,000 in 2015-16.

●     The latter has been achieved by the creation of a robust series of schemes that include:


1.    Bengal Fasal Bima Yojana: This is a one of its kind scheme that secures poor farmers from crop losses due to natural calamities. The coverage under this has gone upto 31 lakh farmers, providing security to farmers in times of crop failure leading to a more conducive atmosphere for farmers to both invest and function

2.    Public Private Partnership (involving the FPOs and NGOs)

3.    Matir Katha: an ICT based agri-extension portal which provides a dynamic platform to disseminate crop solution to farmers at farm-gate level.


●     The Agricultural Ministry of Bengal, working with agri-related Ministries, have introduced initiatives that address both social and economic challenges. These include:

1.    The augmenting of irrigation facilities through water conservation and watershed management:

2.    The betterment of marginalised farmers belonging to SC and ST communities and other backward classes;

3.    The empowerment of women in agriculture.


●     Under the “Universalization of Soil Health Card for the farmers” programme (started in 2015-16 for sustainable management of soil health through soil analysis and issuing SHCs along with advisories to farmers) 13 lakh Soil Health Cards (SHC) have been distributed till end of November, 2016 and the Government is expected to distribute 22 lakh SHC by March 2017.

●     Soil Conservation wing of Agriculture Department has undertaken land development and creation of irrigation potential in more than 45,000 hectare with an investment of about 175 crore, so far.

●     The agriculture sector in India is largely plagued with the problems of market linkages and in this area the West Bengal Government has been a major advocate of building long term infrastructure that link produce to markets and can be sold at competitive prices by including a number of competent parties.

1.    Through infrastructure and support building schemes like Amar Fasal Amar Gola for storage ( with 39329 benefiting at the cost of Rs 29.05 Crore in the last six years) and Amar Fasal Amar Gari for transportation (with 26781 farmers benefiting at the cost of Rs 26.88 Crore in the last six years) the Government’s aims are meeting their rightful ends.

2.    165 Krishak Bazars (block level primary markets with physical infrastructures for transactions, storage and packaging of agricultural produce) have been opened so and they are being operationalised for increasing accessibility and connectivity.

3.    149 of these are presently being utilised as Paddy Procurement Centre. Another 24 will be completed in FY 2016-17.

4.    This year the Mamata Banerjee government amended the Agriculture Produce Marketing Act to allow the entry of major private players in the trade through a single licence for all markets in order to secure more competitive prices for commodities produced by farmers.


Mamata Banerjee has been relentless in her fight for the right of the farmers. It is not without reason that Bengal has won the Krishi Karman award five years in a row since 2011.

Through Government sponsored programmes like “Maati Utsab” and a series of empowering socio-economic schemes, this Government has wrenched the agriculture sector of Bengal from its inertia.


কৃষিতে উন্নতি – পথ দেখাচ্ছে বাংলা

পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি কৃষিভিত্তিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মা, মাটি, মানুষের সরকার নানা নীতি ও প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেছে গত ছ’বছরে। পরপর পাঁচ বছর রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি কর্মণ পুরস্কার পেয়েছে।

কৃষি ও কৃষি-সম্পর্কিত ক্ষেত্রে গত ছয় বছরে ব্যায় বেড়েছে প্রায় ৬ গুন। ২০১০-১১ সালে ৩০২৯ কোটি টাকা’র থেকে বেড়ে ২০১৬-১৭ সালে হয়েছে ১৮,৩২৬ কোটি টাকা। এক সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্য সরকার কৃষিজমিতে কর মুকুবের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে শুধু কৃষকদের সমস্যা কমবে তাই নয়, ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন এবং আয় বাড়াতেও সাহায্য করবে।

কৃষি ক্ষেত্রে আয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। কৃষক পরিবার পিছু ২০১০-১১ সালে বার্ষিক আয় ছিল ৯১,০০০ টাকা যা ২০১৬-১৭ সালে বেড়ে হয়েছে ২,০০,০০০ টাকা। ২০১৭ সালের সরকারের বাজেটে নোটবাতিলের কুপ্রভাবকে মাথায় রেখে ১০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প করা হয় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের জন্য।

কৃষিক্ষেত্রে বাংলা পেয়েছে অভূতপূর্ব সাফল্য। তারই কিছু নিদর্শন:

১. মানবজাতিকে খাদ্য সরবরাহ ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণে মাটির গুরুত্ব এবং কৃষকদের ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতে এই প্রথম ২০১৩ সাল থেকে প্রতি বছর ‘মাটি উৎসব’ পালিত হয়ে আসছে। বর্ধমানে ‘মাটি তীর্থ-কৃষি কথা’ নামে একটি স্থায়ী প্রদর্শন চত্ত্বর তৈরি করা হয়েছে। এই অভিনব অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রশংসা পেয়েছে।

২. পশ্চিমবঙ্গ দেশের সেই কতিপয় রাজ্যগুলির অন্যতম যারা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিকে সাধ্যের মধ্যে থাকা ভাড়ায় আধুনিক বৃহৎ কৃষিযন্ত্র ব্যবহার করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কাস্টম হায়ারিং সেন্টার তৈরি করেছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে প্রায় ৬০০টি কাস্টম হায়ারিং সেন্টার তৈরির জন্যে গ্রামীণ উদ্যোগপতিদের ৪০কোটি টাকার ওপর ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।

৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে যাতে দারিদ্র কৃষকদের শস্যের ক্ষতি না হয়, তার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সফলভাবে ও সময়মত ‘বাংলা ফসল বিমা যোজনা’ রূপায়িত। নিজের দেয় অর্থরাশির সঙ্গে কৃষকদের ১০০ শতাংশ প্রিমিয়াম-ও সরকার দিয়ে দিচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এর আওতায় এসেছেন ৩১ লক্ষ কৃষক।

৪. ২০১৫-১৬ সালে একটি অভিনব সয়েল হেলথ কার্ড (এসএইচসি) প্রকল্প চালু হয়েছে। এর উদ্দেশ্যে মাটি বিশ্লেষণের মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্যের সুব্যবস্থা ও বিভিন্ন শস্যের জন্যে সার ও অণু-সারের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের পরামর্শ সহ এসএইচসি বণ্টন। এখনো পর্যন্ত কৃষকদের প্রায় ৩১ লাখ এসএইচ সি প্রদান করা হয়েছে।

ভারতের কৃষি ক্ষেত্রের একটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে কৃষিজাত পণ্যের বিপণন। এক্ষেত্রে রাজ্য এক অগ্রণী ভূমিকা পালন করে কৃষিজ পণ্যকে বাজারযাত করার পরিকাঠামো তৈরি করার। এর মাধ্যমে চাষিরা উপযুক্ত মুল্য পায়।

১. পরিকাঠামোগত ও সাহায্যকারী প্রকল্প যেমন আমার ফসল আমার গোলা (ছয় বছরে ২৯.০৫ কোটি টাকার মাধ্যমে উপকৃত মানুষের সংখ্যা ৩৯৩২৯) এবং আমার ফসল আমার গাড়ি (গত ছয় বছরে ২৬.৮৮ কোটি টাকার বিনিময়ে উপকৃত হয়েছে ২৬৭৮১ জন) প্রকল্পে সরকারের এই প্রকল্পগুলি নিজের লক্ষ্য পূরণ করে চলেছে।

২. ১৬৫টি কৃষক বাজার (ব্লক স্তরের প্রাথমিক বাজার যেখানে কৃষিজাত উৎপাদনের আদান প্রদান, সঞ্চয়, প্যাকেজিং-এর সুবিধা আছে) খোলা হয়েছে এবং এর মধ্যে ১৪৯টি ধান সংগ্রহ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।



সেইজন্যেই বলা যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা কৃষিক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার এখন উর্দ্ধমুখী।