Latest News

March 22, 2018

Bengal Govt committed to provide water for all

Bengal Govt committed to provide water for all

Today is World Water Day. Right from 2011, when Mamata Banerjee led the Trinamool Congress to power and formed the Government, water resources has been a major area of focus in Bengal.

The Government has taken numerous measures to make drinking water available in every part of the State, and efforts are on towards achieving this.

The Public Health Engineering (PHE) Department Minister, Subrata Mukherjee, in his departmental budget for financial year (FY) 2018-19 has outlined a number of measures to achieve self-sufficiency in generation, storage and distribution of drinking water.

Vision 2020:

The Bengal Government has adopted a plan called Vision 2020, which envisages permanent drinking water security at the rate of 70 litres per capita per day (lpcd) in the rural areas of the state. According to the vision document, to ensure drinking water security, emphasis has been laid on piped water supply schemes with the objective to completely shift from hand-pumped tube-wells to piped water from house to house, in a phased manner.

Rural water supply programme:

During FY 2017-18, as a part of the rural water supply programme, 2,411 water-scarce habitations, 610 water quality-affected habitations, 600 water source-less schools and 291 Anganwadi centres have been covered with supply of drinking water.

Piped Water Supply Scheme (PWSS):

PWSSs are aimed at reducing the burden on women and children. During FY 2017-18, 114 such schemes at an estimated cost of Rs 1,451.60 crore were sanctioned. For FY 2018-19, 97 PWSSs have been sanctioned at an estimated cost of Rs 1,007.42 crore, benefitting a population of 24.61 lakh. This will raise the total number of commissioned PWSSs to 2,091 and rural population coverage to 55.54 per cent.

Master Plan for drinking water supply in arsenic-affected areas

  • Till date, as a part of the Master Plan for supplying arsenic-free water, the State Government has been able to provide drinking water to a rural population of 157.05 lakh, which amounts to 94.3 per cent of the population in arsenic-affected blocks. All the arsenic-affected villages shall be provided with water within March 2019.
  • The Habra-Gaighata surface water-based water supply scheme in North 24 Parganas district has been sanctioned at a cost of Rs 578.94 crore for a population of 18.04 lakh in 327 mouzas. It will be commissioned by June 2018.
  • Of the 338 PWSSs under the Master Plan, 329 have been commissioned. As a part of these piped water schemes, 165 arsenic-removal plants working on breakthrough indigenous technology are being installed.
  • The PHE Department is implementing the setting up of 385 Community Purification Plants, 58 Arsenic and Iron Removal Plants (AIRP) and 138 water ATMs in schools to provide arsenic-free drinking water, to be completed by June 2018. Water ATM is an innovative concept – an ATM will dispense 1 litre of purified water at a time.

Action plan for drinking water supply in fluoride-affected areas

  • A comprehensive action plan has been prepared for implementation in a phased manner in the 43 fluoride-affected blocks in the seven districts of Birbhum, Bankura, Uttar Dinajpur, Dakshin Dinajpur, Purulia, Malda and South 24 Parganas.
  • Piped water supply schemes, with the water being sourced from either sub-surface river water or fluoride-free ground water aquifer, in the above-mentioned areas have already been commissioned, and different technological options for fluoride treatment are also being explored.
  • It is pertinent to mention two mega projects in this case – named Tapan and Gangarampur, at a cost of Rs 165.50 crore and Rs 145.01 crore, respectively, in Dakshin Dinajpur have been taken up to cover a population of 2.51 lakh and 2.38 lakh, respectively.

Water-testing laboratories:

During FY 2017-18, 5,22,648 samples have been tested in the 217 laboratories, and through the Government’s On-site Mobile-based Water Analysis System, 11,800 samples have been tested at the source points and the results uploaded on the Department’s website’s dashboard.

District-wise special achievements during 2017-18

  • Bankura: A comprehensive water supply scheme covering a population of 30.15 lakh in 14 fluoride-affected blocks has been almost fully commissioned, at a cost of Rs 1,011.12 crore.
  • Purulia: PWSSs, covering a population of 15.3 lakh across nine blocks of the district at a cost of Rs 1,173.1 crore, are being implemented, to be commissioned by March 2019. The second phase of the project would cover the remaining 11 blocks, at a cost of Rs 4,289 crore.
  • South 24 Parganas: A surface water-based water supply scheme has been taken up for the 10 saline blocks of Kulpi, Diamond Harbour-I and II, Falta, Joynagar-II, Kultali, Magrahat-I, Mandirbazar, and Mathurapur-I and II, at an estimated cost of Rs 1,332.41 crore, covering a population of 32.87 lakh. Partial commissioning of the project will be done by April 2018.
  • North and South 24 Parganas: A surface water-based water supply scheme has been taken up, at an estimated cost of Rs 686.95 crore, for a population of 5.26 lakh, for the arsenic-affected areas of Haroa and Rajarhat blocks in North 24 Parganas district and Bhangar-II block in South 24 Parganas district.
  • Howrah: Bally-Jagachha Surface Water-Based Project Phase-I has been taken up at an estimated cost of Rs 150.68 crore, covering six towns and a population of 2.86 lakh. Phase-II of the project has been taken up at a cost of Rs 45.88 crore in Domjur block, covering a population of 98,782.
  • Purba Medinipur: Two surface water-based water supply schemes have been taken up – for Panskura-II block at a cost of Rs 241.72 crore, based on the River Rupnarayan, to be commissioned in June 2018, and for the saline-affected areas of Nandakumar, Chandipur, Nandigram-I and Nandigram-II blocks at an estimated cost of Rs 811.38 crore, to benefit a population of 7.82 lakh.
  • Bankura: PWSSs have been taken up for the blocks of Mejia, Gangajalghati, Indpur, Taldangra, Joypur, Kotulpur, Patrasayar and Sonamukhi as part of the Bankura District Phase-II project, at an estimated cost of Rs 833.79 crore for a population of 11.03 lakh.


সবার জন্য জল সরবরাহে বদ্ধপরিকর পশ্চিমবঙ্গ সরকার

আজ আন্তর্জাতিক জল দিবস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় ২০১১ সাল থেকেই তৃনমূল কংগ্রেস পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার সবার জন্য জল সরবরাহে বদ্ধপরিকর।
পানীয় জল যাতে এই রাজ্যের সমস্ত প্রান্তে সুলভে পাওয়া যায় তার জন্য রাজ্য সরকার প্রচুর প্রকল্প শুরু করেছে।

জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শ্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় তার দপ্তরের ২০১৮-১৯ সালের বাজেটে পানীয় জল উৎপন্ন করা,তা সংরক্ষণ করা এবং সঠিক ভাবে বন্টন করার জন্য নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিবরণ দিয়েছেন।

ভিশন ২০২০

২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের গ্রামীণ অঞ্চলে প্রত্যেক মানুষ যাতে প্রতিদিন ৭০ লিটার পানীয় জল পেতে পারে তার জন্যে রাজ্য সরকার ‘ভিশন ২০২০’ নামে একটি পরিকল্পনা শুরু করেছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রত্যেক বাড়ীতে পাইপ দিয়ে পানীয় জল সরবরাহ করার কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণ জল সরবরাহ কার্যক্রম

২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে গ্রামীণ জল সরবরাহ কার্যক্রম অনুযায়ী ২৪১১ টি শুষ্ক এলাকা, ৬১০ টি গুনগত ভাবে নিম্নমানের জলীয় এলাকায়, ৬০০ টি বিদ্যালয়ে এবং ২৯১ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে স্থায়ী পানীয় জলের ব্যবস্থা করে হয়েছে।

পাইপ-জাত জল সরবরাহ ব্যবস্থা

২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে ১১৪ টি পাইপ-জাত জল সরবরাহ পরিকাঠামো মোট ১৪৫১.৬০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরী করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে, প্রায় ২৫ লক্ষ রাজ্যবাসীর সুবিধার্থে ১০০৭.৪২ কোটি টাকা খরচ করে ৯৭ টি পাইপ-জাত জল সরবরাহ পরিকাঠামো তৈরী করা হবে। এর ফলে প্রায় ৫৬% গ্রামীণ এলাকায় পাইপ-জাত জল সরবরাহ পরিকাঠামো উপলব্ধ করা যাবে।

আর্সেনিক প্রভাবিত এলাকায় জল সরবরাহ ব্যবস্থার মাস্টার প্ল্যান

  • এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার মোট ১৫৭ লক্ষ গ্রামীণ জনজাতির জন্য আর্সেনিক-মুক্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে পেরেছে যা কিনা মোট আর্সেনিক প্রভাবিত এলাকার প্রায় ৯৫%। ২০১৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে রাজ্যের প্রত্যেক প্রান্তে আর্সেনিক-মুক্ত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে।
  • ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে হাবড়া- গাইঘাটা জল সরবরাহ পরিকল্পত ব্যবস্থার কাজ শুরু হয়ে যাবে, যা কিনা ৩২৭ টি মৌজার প্রায় ১৮ লাখ মানুষের উপকারে আসবে।
  • ৩৩৮ টি পাইপ-জাত জল সরবরাহ পরিকাঠামোর মধ্যে ৩২৯-টির কাজ শুরু হয়ে গেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় প্রযুক্তির সাহাজ্য নিয়ে ১৬৫ টি আর্সেনিক নিষ্কাশন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে.
  • জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর ৩৮৫ টি জল পরিশোধন কেন্দ্র, ৫৮ টি আর্সেনিক ও লোহা নিষ্কাশন কেন্দ্র এবং ১৩৮ টি বিদ্যালয়ে পানীয় জলের এটিএম আগামী জুন মাসের মধ্যে স্থাপন করবে। এক একটি পানীয় জলের এটিএম থেকে প্রতিবারে ১ লিটার করে জল পাওয়া যাবে।

ফ্লোরাইড কবলিত এলাকায় পানীয় জল সরবরাহের জন্য অ্যাকশন প্ল্যান

  • বীরভূম, বাঁকুড়া, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, পুরুলিয়া, মালদা ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার ৪৩টি ফ্লোরাইড কবলিত ব্লকে ধাপে ধাপে পানীয় জল সরবরাহের জন্য একটি বিস্তারিত অ্যাকশন প্ল্যান তৈরী করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৫৮০ কোটি টাকা।
  • এই সকল ব্লকে নদীর উপ-ভূপৃষ্ঠস্থ বা ফ্লোরাইড মুক্ত জলস্তর থেকে জল নিয়ে পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করার প্রকল্প ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। এছাড়া ফ্লোরাইড ট্রিটমেন্টের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তির সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে।
  • দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন এবং গঙ্গারামপুরে দুটি বড় প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। এই প্রকল্প দুটিতে ব্যয় হচ্ছে যথাক্রমে ১৬৫.৫ কোটি ও ১৪৫.০১ কোটি টাকা। এর ফলে উপকৃত হবেন ২.৫১ লক্ষ এবং ২.৩৮ লক্ষ মানুষ।

জল পরীক্ষাগার

২০১৭-২০১৮ অর্থবর্ষে ২১৭ টি পরীক্ষাগারে ৫২২৬৪৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সরকারের “অন-সাইট মোবাইল-ভিত্তিক জল পরীক্ষা ব্যবস্থায়” জলের উৎস থেকে ১১৮০০ নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। এই পরীক্ষার ফলাফল দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে জেলাভিত্তিক সাফল্য

  • বাঁকুড়াঃ ১৪টি ফ্লোরাইড কবলিত ব্লকে ৩০.১৫ লক্ষ মানুষের জন্য একটি বিস্তারিত জল সরবরাহ প্রকল্প ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ১০১১.১২ কোটি টাকা।
  • পুরুলিয়াঃ এই জেলার নটি ব্লকে পাইপের মাধ্যমে পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পে উপকৃত মানুষের সংখ্যা ১৫.৩০ লক্ষ। এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১১৭৩.১০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২০১৯ সালের মার্চ থেকে জল পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে এই প্রকল্পে উপকৃত হবে ১১টি ব্লকের মানুষ, খরচ হবে ৪২৮৯ কোটি টাকা।
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ কুলপি, ডায়মন্ড হারবার-I & II, ফলতা, জয়নগর-II, কুলতলি, মগরাহাট-I, মন্দিরবাজার, মথুরাপুর-I & II এর মত লবণাক্ত জলের ব্লকগুলিতে ভূপৃষ্ঠস্থ জলের সরবরাহ প্রকল্প ১৩৩২.৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে গ্রহণ করা হয়েছে। উপকৃত হবেন ৩২.৮৭ লক্ষ মানুষ। এই প্রকল্প আংশিক ভাবে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে যাবে।
  • উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাঃ ভূপৃষ্ঠস্থ জল সরবরাহ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে ৬৮৬.৯৫ কোটি টাকার ব্যয়ে। এতে আর্সেনিক কবলিত অঞ্চলের (যেমন উত্তর ২৪ পরগণার হাড়োয়া, রাজারহাট ব্লক এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়-II ব্লক) ৫.২৬ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন।
  • হাওড়াঃ বালি জগাছা ভূ-পৃষ্ঠস্থ জলপ্রকল্পের কাজ (ফেজ – ১) নেওয়া হয়েছে। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৫০.৬৮ কোটি টাকা। এই প্রকল্প চালু হলে ৬ টি শহরের প্রায় ২.৮৬ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবে। (ফেজ – ২) প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৫.৮৮ কোটি টাকা। এর ফলে ডোমজুড় ব্লকের ৯৮,৭৮২ জন মানুষ উপকৃত হবেন।
  • পূর্ব মেদিনীপুরঃ এই জেলার জন্য ২টি ভূ-পৃষ্ঠস্থ জলপ্রকল্পের কাজ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি পাঁশকুড়া ২ ব্লকের জন্য, এতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ২৪১.৭২ কোটি টাকা। দ্বিতীয় প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে নন্দকুমার, চাঁদিপুর, নন্দীগ্রাম ব্লক-১ ও নন্দীগ্রাম ব্লক – এইসব নোনা জলের এলাকার জন্য। এর জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ৮১১.৩৮ কোটি টাকা এবং এর মাধ্যমে ৭.৮২ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবে।
  • বাঁকুড়াঃ পাইপের মাধ্যমে জল সরবরাহ করার ১ টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। বাঁকুড়া জেলার ফেজ ২ প্রজেক্টের আওতায় রয়েছে মেজিয়া, গঙ্গাজলঘাঁটি, ইন্দপুর, তালডাঙ্গা, জয়পুর, কোতোলপুর, পত্রসায়র ও সোনামুখী। এই প্রকল্পের জন্য ৮৩৩.৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ১১.০৩ লক্ষ মানুষ এর মাধ্যমে উপকৃত হবে।