Dr Amit Mitra moves Finance Bill that would benefit 1.06 lakh traders

State Finance minister Amit Mitra on Friday tabled the West Bengal Finance Bill, 2017 which is likely to give benefit to 1.06 lakh traders.

Tabling the Bill, Dr Mitra said it would give relief from payment of tax to dealers having turnovers more than Rs 10 lakh and upto Rs 20 lakh by increasing the threshold of the turnover for VAT liability from the present Rs 10 lakh to Rs 20 lakh. So long, traders having turnovers upto Rs 50 lakh used to enjoy the benefit of the composition scheme.

From now onwards, small manufacturing dealers with upto Rs 50 lakh turnovers have been brought under the scheme. The mandatory VAT audit report has been removed and this is going to benefit businessmen immensely. Mitra said that the state government would give benefit those dealing with biodiesel by completely exempting tax.

Similarly, those doing business with hairbands and hairclips would not have to pay tax. Such benefits would be extended to those dealing with water heaters, kerosene stoves, leaf plates and cups and terracotta tiles. The rate of tax has been lowered from 14.5 percent to 5 percent on sale of machinery for generation of electricity from waste.

Dr Mitra said the steps would help small traders and manufacturers whose number would be around 1.06 lakh. The Bill also seeks to amend the Indian Stamp Act, 1899 and the West Bengal Taxation Tribunal Act, 1987. Also, the West Bengal Tax on Entry of Goods into Local Areas Act 2012 was sought to be amended.

Dr Mitra also said as an effect of demonetisation, middle class people were finding it difficult to buy flats as they have to pay seven per cent stamp duty on the value of the property on the date of booking a flat or a housing property. It may be recalled that the state government has decided to give Rs 50,000 to 50,000 craftsmen who used to work in other states in the gems and jewellery industry and those who lost jobs due to demonetisation.

The state government has also enhanced the remuneration of anganwadi and Asha workers by Rs 500. The West Bengal Appropriation Bill was passed by the state Assembly on Friday with the House approving Rs 14,708 crore as additional expenditure for social infrastructure projects.

Moving the Appropriation Bill 2017, state Finance minister Amit Mitra said a sum of Rs 14,708 crore would be spent for social infrastructure projects like housing, rural electrification and supply of rice to APL and BPL families. A sum of Rs 3,137 crore would be spent on supplying rice to families belonging to the APL and BPL categories, Mitra said, adding Rs 1,022 crore was proposed to be spent for rural electrification.


বিধানসভায় ফিনান্স বিল পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র

‘‌মা–‌মাটি–‌মানুষের বাজেট পাখির চোখে দেখতে হবে। ৩৫ মিটার উঁচু থেকে দেখুন। বুঝতে পারবেন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা মোকাবিলার লক্ষ্য নিয়ে আমরা বাজেট করেছি।’‌ বৃহস্পতিবার বাজেট আলোচনায় বিরোধীদের সমালোচনার জবাব এভাবেই দিলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

ফের বিরোধী সদস্যদের তিনি বোঝালেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকার পরিচালনার চিন্তাভাবনার কথা মাথায় রেখেই এই বাজেট করেছেন তিনি। বোঝালেন, নোটবন্দীতে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত একেবারে নিচুতলার মানুষ। তাঁদের একটু সাহারা দেওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই বাজেট পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর এই বাজেটে ভর করেই বাংলা নতুন দিশায় পা বাড়াবে, ভারতসেরা হয়ে উঠবে।

অর্থমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জোর দিয়েছেন নোটবন্দী দশায় অসহায় শ্রমিক–‌কৃষকের সহায়তার প্রশ্নে। বলেছেন, এটা মমতা ব্যানার্জির সরকারের বাজেট, তাই মানবিকতাকে বিশেষ জোর দিয়েছেন তিনি। কীভাবে রাজ্যের জিডিপি বছরের পর বছর বাড়ছে আর তা কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নের গড়কে ছাপিয়ে গিয়েছে, তার তথ্য, হিসেব তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, নোটবন্দীর ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভিনরাজ্যে কাজ হারিয়ে ফেরা শ্রমিকরা। এমন ৫০ হাজার শ্রমিকের জন্য এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেবে সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য রাখা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। আইসিডিএস কর্মীদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে ৫০০ টাকা করে। সবই করা হয়েছে মানবিক দৃষ্টিতে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ধারের সঙ্গে গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের অনুপাত অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি। সেটাই আমরা এই ৬ বছরে কমিয়ে আনতে পেরেছি। এটা আমাদের সাফল্য। এই সাফল্যের ও মানবিকতার পথ ধরেই বাংলা দেশের সেরা রাজ্য হওয়ার দিকে।

Highlights of Dr Amit Mitra’s Budget 2017-18 Speech

Bengal Finance Minister Dr Amit Mitra presented the State Budget for 2017-18 at the Legislative Assembly today.

The Budget reflected the enormous effort put in by the Trinamool Congress Government to turn around a State left in ruins by the 34 years’ of Left Front rule. Despite being still in debt, and with no moratorium being provided by the Centre despite repeated requests, the State has made huge progress on all fronts.

For example, Dr Mitra said, “Tax collection has increased by 103% from 2010-11 to 2016-17”, which is a record among States.

After winning the 2016 Assembly election with a huge mandate, the developmental work in the State has continued apace.



Debt problem

  • On the one hand, we have the legacy of the enormous debt left behind by the Left Front Government. On the other hand, there was the effect of demonetisation.
  • We will have to pay more than Rs 47,000 crore as debt instalment this year.
  • We may be cash-strapped but we are a humane Government; we believe in “hanste hanste chalna seekho”.


  • Growth rate of India’s Index of Industrial Production (IIP) was -0.1% in 2016-17, while that of Bengal was 4.8%
  • Plan Expenditure of Bengal increased fourfold from 2010-11 to 2016-17

New announcements

  • Anganwadi workers, who provide nutrition to pregnant women, and new mothers and infants, brought under Swathya Sathi scheme
  • ASHA workers, who are a pillar of strength in the health sector, brought under Swathya Sathi scheme
  • Monthly allowance of Anganwadi workers will be increased by Rs 500, benefitting 2 lakh workers
  • Monthly allowance of ASHA workers will be increased by Rs 500, benefitting 50,000 workers


  • 50,000 artisans who lost jobs due to demonetisation to be given an aid of Rs 50,000 each
  • Rs 50 crore allocated for small businesses
  • A special fund of Rs 100 crore created for farmers


  • Fundamental reforms in the taxation system ushered in, including simplification of the process and e-taxation
  • Tax collection increased 103% from 2010-11 to 2016-17, a record among States, reflecting the Trinamool Congress Government’s commitment and transparency
  • Stamp duty will be reduced to 2%, from 5%
  • Education cess and rural employments cess will be exempted for the betterment of tea industry.


  • GST must be for the benefit of common people and small traders, among others; the State’s financial autonomy and federal structure must not be hampered.
  • GST Council has adopted the recommendations put forward by Bengal – Bengal has won what was sometimes a lonely fight

Settlement scheme

  • New settlement scheme started in December 2016, due to the overwhelming response received, extended till March 31, 2017


  • Ceiling of primary slab of VAT increased from Rs 10 lakh to Rs 20 lakh
  • Small traders and enterprises will no longer have to physically come to State Government offices to file hard copies of documents for VAT purposes
  • VAT audit report will be abolished, benefitting 30,000 businesses
  • All pending cases of VAT settlements will be disposed off by December 31, 2017
  • Small and medium enterprises and manufacturing companies to be brought under the ambit of minimal VAT scheme
  • VAT on solar water heaters, bio-diesel, terracotta tiles, kerosene stoves and sal leaf products will be abolished

Planned Expenditure (PE)

  • Despite demonetisation, Plan Expenditure of Bengal for 2017-18 will be Rs 64,733 crore
  • Target for revenue collection in 2017-18 is Rs 55,786 crore


  • 13.27 lakh employment opportunities created during last fiscal

২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র

আজ বিধানসভায় ২০১৭-১৮ আর্থিক বর্ষের বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ডঃ অমিত মিত্র।

৩৪ বছরে বাম শাসন বাংলাকে ধ্বংস করার পর বাংলার উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ প্রতিফলিত হয়েছে এই বাজেটে। বাম আমলে করা বিপুল ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে চলছে রাজ্য। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার কোনও রকম সাহায্য করেনি রাজ্যকে। তাও রাজ্য সব দিক দিয়ে এগিয়ে চলেছে।

২০১৬ সালে বিপুল জনমতে পুনরায় সরকার গঠন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর উন্নয়নের কাজে আরও গতি এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নোটবাতিলের সিদ্ধান্তে সারা দেশের অর্থনীতি ধুঁকছে। তা সত্ত্বেও তৃতীয় বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ যথেষ্ট আশা ব্যঞ্জক।

নোট বাতিল:

  • নোটবাতিল সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। কোন গণতান্ত্রিক দেশে এভাবে ৮৬ শতাংশ নোট বাতিল হয় না।
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র নেত্রী যিনি প্রথম নোটবাতিলের এবং টাকা তোলার নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন।
  • ভারতের জি ডি পি বৃদ্ধির হার নিম্নমুখী,  ১ থেকে ৩.৫ শতাংশ কমতে পারে।
  • নোট বাতিল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জরুরি অবস্থার সমান।
  • সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, শ্রমিক, চা, জুট, হ্যান্ডলুম, টেক্সটাইল – সব ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত।
  • নোটবাতিলের গোলপোস্ট এখন কালো টাকা থেকে ক্যাশলেস অর্থনীতিতে সরে গেছে।
  • নোটবাতিলের আসল উদ্দেশ্য কারো জানা নেই। এর ফলে কারা উপকৃত হয়েছে?
  • রিজার্ভ ব্যাঙ্কের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে দুর্বল করার জন্য এই ষড়যন্ত্র।
  • কেন্দ্রের নোট বাতিলের ফলে ভারতের বৃদ্ধির হার কমে ৭.১ শতাংশ হয়ে গেছে।
  • সাপ্লাই চেন ও সহযোগী শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত, শ্রমিকরা কর্মহীন হয়েছেন।
  • নোট বাতিলের ফলে রাজ্যের বৃদ্ধির হার কমে হয়েছে ৯.২৭ শতাংশ।
  • নোটবাতিলের প্রভাব পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে আরও ২-৩ বছর লাগবে।
  • কৃষকরা কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক ও লোনের ওপর নির্ভরশীল। নোট বাতিলের ফলে কো-অপারেটিভ সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত।

ঋণের বোঝা:

  • একদিকে আমাদের ওপর বাম সরকারের করে যাওয়া বিপুল ঋণের বোঝা। অন্যদিকে নোট বাতিলের প্রভাব।
  • এবছর আমাদের ৪৭০০০ কোটি টাকা বেশি ঋণ শোধ করতে হবে।
  • আমাদের কাছে টাকা না থাকলেও আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি ‘হাসতে হাসতে চালনা শিখো’।


  • ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে আই আই পি বৃদ্ধির হার ছিল ০.১ শতাংশ, আর বাংলার আই পি বৃদ্ধির হার ছিল ৪.৮ শতাংশ।
  • ২০১০-১১ থেকে ২০১৬-১৭ পরিকল্পনা খাতে ব্যয় চার গুন বৃদ্ধি পেয়েছে।

নতুন ঘোষণা:

  • অঙ্গনওয়ারী কর্মীদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।
  • অঙ্গনওয়ারী কর্মীদের মাসিক ভাতা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হচ্ছে।
  • আশা কর্মীরা হেলথ সেক্টরের মেরুদণ্ড। তাদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।
  • আশা কর্মীদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর ফলে ৫০ হাজার কর্মী উপকৃত হবে।


  • ক্ষুদ্র শিল্পে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
  • কৃষকদের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল গড়া হবে।
  • নোট বাতিলের ফলে কর্মহীন ৫০ হাজার কারিগরকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।

কর ব্যবস্থা:

  • আমরা কর ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন করেছি । করা হয়েছে সরলীকরণ। শুরু হয়েছে ই-ট্যাক্সেশন ব্যবস্থা।
  • ২০১০-১১ থেকে ২০১৬-১৭ অবধি রাজ্যের রাজস্ব আয় ১০৩% বৃদ্ধি হয়েছে।
  • রাজ্যগুলির মধ্যে রাজস্ব বৃদ্ধির হারে বাংলাই প্রথম।
  • স্ট্যাম্প ডিউটি ৫ শতাংশ থেকে কমে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
  • এডুকেশন সেস ও রুরাল এমপ্লয়মেন্ট সেস মকুব করা হচ্ছে।


  • বাংলার দাবি ছিল জিএসটির ফলে যেন উপকৃত হন সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা, রাজ্যের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো যেন ক্ষুন্ন না হয়।
  • বাংলার দাবি জিএসটি কাউন্সিল মেনে নিয়েছে। হয়তো আমাদের একলা চলতে হয়েছে কিন্তু বাংলার জয় হয়েছে।

সেটেলমেন্ট স্কিম:

  • আমরা ২০১৬ ডিসেম্বর মাস থেকে নতুন সেটেলমেন্ট স্কিম চালু করেছি। আমরা খুব ভাল সাড়া পেয়েছি।
  • সেটেলমেন্ট স্কিম এর সময়সীমা ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ অবধি বাড়ানো হবে


  • ভ্যাটের প্রাথমিক স্তরের সীমা ১০ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ২০ লক্ষ করা হল।
  • ছোট ব্যবসায়ীদের আর সরকারি অফিসে গিয়ে ভ্যাটের জন্য নথিপত্রের হার্ড কপি জমা করতে হবে না।
  • ভ্যাট অডিট রিপোর্ট তুলে দেওয়া হল। এর ফলে উপকৃত হবেন ৩০,০০০ ছোট ব্যবসায়ী।
  • ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭র আগে সমস্ত অমীমাংসিত ,ভ্যাট সেটেলমেন্ট করতে হবে।
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা ও ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসাগুলিকে ন্যূনতম ভ্যাটের আওতায় আনা হবে।
  • সোলার হিটার, বায়ো ডিজেল, শাল পাতার জিনিসপত্র, টেরাকোটার টালি, কেরোসিনে স্টোভ ভ্যাটমুক্ত করা হল।

পরিকল্পিত ব্যয়ঃ

  • নোট বাতিল সত্ত্বেও ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরের মুলধনী ব্যয় ৬৪,৭৩৩ কোটি টাকা করা হয়েছে।
  • ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের জন্য কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে ৫৫.৭৮৬ কোটি টাকা


গত আর্থিক বছরে ১৩.২৭ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে।



Bengal surges ahead in developmental expenditure and tax collection

Bengal is surging ahead. The recent figures make it clear that Bengal offers a golden investment opportunity. Under the leadership of West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee,  the Bengal Global Business Summit  2016 will bring together policy makers and business leaders from India and abroad to stimulate further investments, growth and development in Bengal.

The developmental expenditure and tax collection in Bengal now stand at far higher figures than what they were four years ago.

During the last four years:

• Bengal’s tax collection has increased by 200%

• The State’s Capital Expenditure (Asset Creating) has increased by 601%

• The State’s Agriculture and Rural Development Expenditure has increased 547%

• The State’s Physical Infrastructure Expenditure has increased by 330%

• Bengal’s Plan Expenditure has increased by 311%

• The State’s Social Infrastructure Expenditure has increased by 301%


WB Govt paid Rs 76000 Cr on debt servicing, a legacy of Left: Amit Mitra

West Bengal Finance Minister Amit Mitra said that in the last four years, the Trinamool Congress (TMC) government had to spend Rs 76,000 crore on debt servicing, a legacy of the erstwhile Left government.

In real terms, the present government has taken only Rs 6,000 crore loans in the last four years, which was a very meagre amount compared to the previous government, he said.

The Chief Minister, Ms Mamata Banerjee has maintained that she inherited a huge debt left behind by the erstwhile Left government.

Dr Mitra explained how the state government had been able to multiply expenses in the sectors like social infrastructure, development of physical infrastructure, state plan expenses and capital expenditure.

The government has been able to raise the growth of Gross State Domestic Product (GSDP) above 5 per cent successively in the last four years of TMC rule as against below 5 per cent registered by the previous Left regime.

Growth of Infrastructure in Bengal: Some fact checks

The sustainable economic development depends on asset creating Capital Expenditure. Capital Expenditure refers to the expenses related to creation of infrastructure like roads, bridges, waters, schools, hospitals and other public works. There has been a sea change in growth of infrastructure developments since the time the new Government took office.

In 2010-11, during the previous Left Front Government, Capital Expenditure grew at negative (-ve) 26.08%. There has been a continuous improvement since then. In 2011-12, the growth was positive 24.17%, in 2012-13 at 64.53% and in the present year at 52.33%. Such growth is historic.

Infra Dev 1

Plan Expenditure

The Plan Expenditure of the State has been doubled in the span of the last three years. In 2010-11, the State under Left Front Government has a Plan Expenditure worth Rs 14,165.16 Crore, and in 2013-14 it has grown to Rs 28,159.37 Crore.

Infra Dev 2

Storage Capacity of Agricultural Products

There storage capacity of agricultural products has grown by more than nine times in the last three years. In 2010-11 the storage capacity was 40,000 MT and in the year 2013-14, the storage capacity is now at 3.8 Lakh MT. 84 Krishak Bazars have been already set up. The allocations on agricultural and food processing industries have increased by 25% in the State Budget over last year’s budget.

Infra Dev 3

Water for All

615 rural water supply schemes have been commissioned since May 2011, which is double the number for the corresponding period (2007-2011). The expenses on providing safe drinking water have been increased by 252% from Rs 470 Crore (2010-11) to 1658 Crore (2013-14). More than 41 thousand hand pumps installed. The coverage of piped water has increased from 37.95% to 44.11%.

Infra Dev 4

Rural Roads

More than 2630 kms of rural roads have been constructed in 2013-14, while in comparison only 381 kms were constructed in 2010-11 under Left Rule. The Expenditure also grew significantly from Rs 565 Crore in 2010-11 to Rs 1310 Crore in 2013-14.

Infra Dev 5

State Highways

The Expenditure increased by 152%, from Rs 639 Crore (2010-11) to Rs 1610 Crore (2013-14). During this period from May 2011, 88 bridges and Rail-over-Bridges are nearing completion. The work for Asian Highway 2 and Asian Highway 48 connecting Nepal-Bangladesh and Bangladesh-Bhutan respectively has commenced.


New thermal power centres are being constructed in Santaldih, Durgapur, Sagardighi, Raghunathpur. The Katwa thermal power project is expected to invite investments worth Rs 10,000 Crore. Transmission sub stations have been installed in Dalkhola, Kalna, Khatra, Kakdwio, Kurseong, Sankrial food park, Howrah and Kharagpur.

There has been remarkable development in power transmission infrastructure. 343 MVA Transformer capacity and construction of 887 km transmission line have been made in case of High Transmission line. During the same time, in case of Low Transmission line, enhancement of 2654 MVA transformer capacity have been made.

Power banks have been created, thus excess power produced is saved. Remote islands of Sundarbans are being supplied with power through grid.

Under the Scheme, ‘Sabar Ghore Alo’ electrification is under process for 1 Crore rural households. The work for universal electrification will be complete for all districts by 2016.