Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


August 2, 2018

Super Emergency is on: Trinamool on heckling of AITC delegation at Silchar

Super Emergency is on: Trinamool on heckling of AITC delegation at Silchar

Today, a delegation from the Trinamool Congress was roughed up at the Silchar Airport, whence they had arrived on their way to places in Assam to talk to people removed from the National Registered of Citizens (NRC), which list was published recently, and take proper stock of the situation.

The delegation comprised eight people: four Lok Sabha MPs – Kakoli Ghosh Dastidar, Ratna De Nag, Mamatabala Thakur, Arpita GHosh; two Rajya Sabha MPs – Sukhendu Sekhar Roy, Nadimul Haque; Bengal Cabinet Minister, Firhad Hakim, and MLA Mahua Moitra.

Trinamool protested against this incident in Rajya Sabha, leading to adjournment of the House. The issue was raised in Lok Sabha also.

Here’s what party leaders said on the issue:

Derek O’Brien

Trinamool Congress lawmakers did not go there to break the law. They are lawmakers, not law-breakers. That is why they even agreed to go in groups of two – four groups of two – to meet the affected people; even that they did not allow. Super-emergency is on. That is what happened today at Silchar in Assam. The situation is not good but we will fight this, the people are aware.

Dola Sen

They did not go there to break the law, they are lawmakers and representatives of the people (being MPs and MLAs). Hence, how were they identified as trouble-makers and law-breakers and heckled on the excuse of Section 144 being imposed? We are strongly condemning the act.

Super-emergency is on in the country. An unwritten emergency situation has been created by the ruling BJP across the country.

Dr Kakoli Ghosh Dastidar

We were surrounded by police as soon as we landed in Silchar Airport. They locked us up in a room. We are on a sit-in demonstration. Female MPs were beaten up and manhandled. We demanded to know whether there is any restraining order. Even journalists were roughed up.

Sukhendu Sekhar Roy

We are completely unarmed yet we were forcibly stopped from venturing out of the airport. The police force, led by senior officials, stopped us despite our being representatives of the people and lawmakers.

If Section 144 was on, why were only us stopped and not the other passengers of the plane? And also, the order talks about arms not to be allowed. We did not have any at all.

This is a conspiracy jointly hatched by the BJP Government at the Centre and in Assam. What is even more shameful is that our female MPs and the MLA were heckled by the police. Even I, a heart patient with a pacemaker installed, was pushed around by a drunk policeman.

This is highly undemocratic, a trampling upon of all laws in the Constitution. We are in sit-in situation at the airport. We are being detained at the airport.

Saugata Roy

Our delegation of four MPs from the Lok Sabha and two from the Rajya Sabha had gone to Assam to take stock of the situation after the publication of the NRC. The Assam Police has detained them at Silchar Airport.

This is a breach of privilege. They are interfering with the right to free movement of MPs.


অগাস্ট ২, ২০১৮

তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে হেনস্থা শিলচরে - প্রতিবাদ দলের

তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে হেনস্থা শিলচরে - প্রতিবাদ দলের

গত ৩০শে জুলাই প্রকাশিত হয় অসমের ‘রাষ্ট্রীয় নাগরিক পঞ্জির’ চূড়ান্ত খসড়া। সেই তালিকাতে নাম ছিল না ৪০ লক্ষ মানুষের। এই মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল। সংসদের ভেতরে ও বাইরে এই ইস্যুতে সরব হয়েছে দল। এই নাগরিক পঞ্জির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।

আজ তৃণমূল কংগ্রেসের আট সদস্যের এক প্রতিনিধি দল অসমের শিলচরে যায়। তাদের বিমানবন্দরে আটকে রেখে হেনস্থা করা হয়। এই আট সদস্যের মধ্যে ছিলেন লোকসভার চার সাংসদ ডঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, ডঃ রত্না দে নাগ, অর্পিতা ঘোষ এবং মমতা বালা ঠাকুর। ছিলেন রাজ্যসভার দুই সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় এবং নাদিমুল হক। এছাড়া ছিলেন বাংলার মাননীয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও বিধায়ক মহুয়া মৈত্র।

তৃণমূল প্রতিনিধিদলের হেনস্থার তীব্র প্রতিবাদ করেন দলের সাংসদরা। প্রতিবাদের জেরে রাজ্যসভার কার্যপ্রণালী দিনের মত মুলতুবি করা হয়। লোকসভাতেও এই বিষয়টি তোলেন সৌগত রায়।

এই বিষয়ে দোলা সেন বলেন, এনারা জনপ্রতিনিধি, রাজ্যের প্রতিনিধি। তারা কি করে আসাম সরকারের কাছে আইন ভঙ্গকারী হিসেবে চিহ্নিত হলেন এবং কেন এভাবে অঘোষিত জরুরী অবস্থায় তাদের হেকেল করা হল? আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি। দেশে সুপার এমার্জেন্সি চলছে। একটা অঘোষিত, সাংঘাতিক জরুরী অবস্থা চলছে ভারতবর্ষে বিজেপির নেতৃত্বে।

সৌগত রায় বলেন, অসম দেশের বাইরে নয়, এবং তৃণমূল প্রতিনিধিদলের স্বাধীনতা খর্ব করেছে অসম সরকার। অসম সরকারের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের প্রস্তাব আনব।

কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, আমরা শিলচর বিমানবন্দরে নামতেই পুলিশ আমাদের ঘিরে ফেলে। আমাদের একটি ঘরে আটক করে রাখা হয়। আমরা এখন সেখানে ধর্নায় বসে পড়েছি। আমাদের মহিলা সাংসদদের মারা হয়েছে। আমরা জানতে চাই কোনো restraining order আছে কিনা, কিন্তু সদুত্তর পাইনি। এমনকি সাংবাদিকদেরও মারা হয়। ওদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

সুখেন্দু শেখর রায় বলেন, আমরা বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে এখানকার জেলাসাশক, উচ্চপদস্থ কর্মচারী সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে আমাদের ঘিরে ফেলে। আমাদের বলে ১৪৪ ধারা জারি আছে। আমরা বলি আমরা গেস্ট হাউসে যাব, তারপর বিকেলে বেরোব। কিন্তু ওরা বলল, আপনাদের বিমানবন্দর থেকে বেরোতে দেওয়া যাবে না। তারপরে এক পুলিশ আমাকে মারল। আমি হার্ট পেসেন্ট, আমার বুকে পেসমেকার, আমাকে মারল। তারপর, আমাদের মহিলা যে সাংসদদেরও নির্মম ভাবে মারল। আমরা এখনও বিমানবন্দরে, আমাদের যেতে দেওয়া হয়নি। যতক্ষন না আমাদের যেতে দেওয়া হবে, আমরা এখানে বসে থাকব।

ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের আইন প্রনেতারা ওখানে আইন ভঙ্গ করতে যায়নি। সুপার এমার্জেন্সি চলছে। আমরা রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছি। কিন্তু তিনি রাজ্যসভায় আসেননি। তাই হাউসও চলেনি। পরিস্থিতি ভালো নয়, কিন্তু, মানুষ জানে, আমরা তাদের জন্য লড়াই করব।