Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


November 9, 2018

SHGs in Bangla develop eco-friendly pens made from paper

SHGs in Bangla develop eco-friendly pens made from paper

Various schemes taken up by the Panchayat and Rural Development Department have not only helped the self-help groups (SHG) to become economically independent but also in conserving the environment.

The department has recently released eco-friendly pens. These unique pens are made from paper and have been manufactured by some women associated with an SHG at Para in Purulia district. The use of plastic in the pens is minimal as the State Government is trying to gradually do away with the use of plastic.

The ballpoint pens are priced anything between Rs 5 and Rs 15. They contain a plastic refill while their bodies are made of coloured papers, and they have a beautiful look. The paper has been processed so that the pens can be carried like ordinary plastic-made ballpoint pens.

Each pen contains seeds of palas or simul trees so that after using the pens one can sow the seeds and help in afforestation.

The women associated with many of the self-help groups are doing excellent jobs and many of them are coming up with excellent ideas. Some women of SHGs, for example, are making fly ash into bricks at eco-friendly brick kilns while some in Nadia district have become economically independent by doing pisciculture. The department has helped them by opening brick kilns and digging up waterbodies.

It may be mentioned that the Panchayat and Rural Development Department has earned appreciation from the Central Government for successfully running SHGs and implementing 100 Days’ Work programme excellently in the rural areas.

Source: Millennium Post


নভেম্বর ৯, ২০১৮

পঞ্চায়েত দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা তৈরী করলেন 'বীজ কলম'

পঞ্চায়েত দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা তৈরী করলেন 'বীজ কলম'

পথচলা শুরু করল পাড়া ব্লকের কন্যাশ্রী ও স্বনির্ভর দলের মহিলা সদস্যদের তৈরী করা ‘সিড পেন’ বা বীজ কলম। রাজ্য পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের যুগ্ম প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স হলে ওই কলমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী।

প্রতিটি কলমের দাম মিলেছে পাঁচ টাকা থেকে পনেরো টাকার মধ্যে। পাড়া ব্লকের কন্যাশ্রী ও স্বনির্ভর দলের মহিলারা যাতে আরও বেশি কলম তৈরী করতে পারেন সেই বিষয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত বাজার ধরে দেওয়ার চেষ্টা করছে স্থানীয় প্রশাসন।

পুরুলিয়ার শম্পা রক্ষিত পরীক্ষামূলক ভাবে কলম তৈরী করেছিলেন। প্রদর্শনীর জন্য রেখেছিলেন পুরুলিয়া শহরের গ্রামীণ হাটের দোকানে। কন্যাশ্রী কিশোরী ও স্বনির্ভর দলের মহিলাদের নিয়ে কলম তৈরী শুরু হয়। প্রশিক্ষণ দেন শম্পাদেবী নিজে।

খুব সহজেই পরিবেশ বান্ধব এই কলম তৈরী করতে শিখেছেন মহিলা ও কন্যাশ্রীরা। বাজার থেকে রিফিল কিনে এনে খবরের কাগজ ও রঙিন কাগজ জড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। রিফিলের শেষে রাখা থাকছে ফুল বা ফলের বীজ। ব্যবহারের পরে ফেলে দিলে গজিয়ে যাবে গাছ, যত্নও লাগবে না।

ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার কলম তৈরী করে ফেলেছেন কন্যাশ্রী ও স্বনির্ভর দলের মহিলারা। আপাতত পাড়া ব্লকের এই প্রকল্পটিকেই শক্ত ভিতের উপরে দাঁড় করাতে চাইছে রাজ্য গ্রামোন্নয়ন দফতর। একশো দিনের কাজ -সহ আরও কয়েকটি প্রকল্প মিলিয়ে কলম তৈরী চলছে। একশো দিনের কাজের প্রকল্প থেকে পাড়া ব্লকে ক্লাস্টার প্রোজেক্টের ঘর তৈরী করে দেওয়া হবে। বীজ সরবরাহ করা হবে একশো দিনের প্রকল্প থেকেই।

আপাতত প্রশাসনই ক্রেতার ভূমিকা পালন করবে। রাজ্য পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর ও অন্য কয়েকটি দফতরের কর্মশালা আর প্রশিক্ষণের কাজে যাতে কলমগুলি ব্যবহার করা হয় সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।