Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


August 3, 2018

Heckling of Trinamool delegation in Silchar – Protests rock Parliament

Heckling of Trinamool delegation in Silchar – Protests rock Parliament

A delegation of Trinamool lawmakers was roughed up at the Silchar Airport yesterday, when they had arrived on their way to visit places in Assam to talk to people removed from the National Registered of Citizens (NRC), a list was published recently, and take proper stock of the situation.

The delegation comprised eight people: four Lok Sabha MPs – Kakoli Ghosh Dastidar, Ratna De Nag, Mamatabala Thakur, Arpita GHosh; two Rajya Sabha MPs – Sukhendu Sekhar Roy, Nadimul Haque; Bengal Cabinet Minister, Firhad Hakim, and MLA Mahua Moitra.

Protesting against this issue, Trinamool MPs in Lok Sabha stormed to the Well of the House, leading to adjournment for 10 minutes. Notices of Privilege Motion were submitted in both the Houses of Parliament. In Rajya Sabha, it was submitted by Dr Santanu Sen.
Speaking on the issue in Rajya Sabha, Derek O’Brien said, “ This is not just an Assam issue. This is an issue for Rajasthan, an issue for Punjab, an issue for UP, an issue for Bengal. This is a national issue. This is a human rights issue, a humanitarian issue.”
He also accused the BJP of “classic double-speak”. He said, “What is the real voice of the Government? What Home Minister says here or what BJP President says outside? We need to know the real voice. We are hearing two voices.

He added, “I am quoting the Home Minister, what he said just now in the House: “communal disharmony is being spread”. Yes Sir, it is being spread. But I want to ask the Home Minister, who is spreading disharmony?”

In Lok Sabha, Kalyan Banerjee said, “A citizen of India has a right to move to any part of India. MPs also have a responsibility to visit any part of India whenever there is a disturbance. It is clear from their statement that it was a malafide action.”

He added, “We are seriously deprecating the way Assam Police detained our team. We are condemning this incident. After the news came yesterday, we expected that the Central Government will intimate us on its own and take appropriate action. Nothing was done. The right of six MPs to protect the people and assess the situation was taken away.”

 


অগাস্ট ৩, ২০১৮

শিলচরে তৃণমূল প্রতিনিধিদলের হেনস্থা - উত্তাল সংসদ

শিলচরে তৃণমূল প্রতিনিধিদলের হেনস্থা - উত্তাল সংসদ

গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের আট সদস্যের এক প্রতিনিধি দল অসমের শিলচরে যায়। তাদের বিমানবন্দরে আটকে রেখে হেনস্থা করা হয়। এই আট সদস্যের মধ্যে ছিলেন লোকসভার চার সাংসদ ডঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, ডঃ রত্না দে নাগ, অর্পিতা ঘোষ এবং মমতা বালা ঠাকুর। ছিলেন রাজ্যসভার দুই সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় এবং নাদিমুল হক। এছাড়া ছিলেন বাংলার মাননীয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও বিধায়ক মহুয়া মৈত্র।

তৃণমূল প্রতিনিধিদলের হেনস্থার তীব্র প্রতিবাদ করেন দলের সাংসদরা। আজ সকাল থেকে লোকসভায় সরব হন সাংসদরা। অএয়েলে নেমে প্রতিবাদ করেন তারা; মুলতুবি হয়ে যায় অধিবেশন। লোকসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশও দেওয়া হয়। রাজ্যসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ দেন ডঃ শান্তনু সেন।

রাজ্যসভায় এই বিষয়ে বলতে উঠে, ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, “এটা শুধু অসমের ইস্যু না। এটা বিহারের ইস্যু, এটা ইউপির ইস্যু, এটা রাজস্থানের ইস্যু, এটা বাংলার ইস্যু। এটা জাতীয় ইস্যু, মানবাধিকারের ইস্যু।”

তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাউসে এক কথা বলছেন, আর বাইরে তাদের দলের সভাপতি আরেক কথা বলছেন। কার কথাটা ঠিক? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন “কেউ কেউ সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিচ্ছে।” কে দিচ্ছে সেটা সবাই জানে।”
লোকসভাতে এই বিষয়ে বক্তব্য রাখেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “একজন নাগরিকের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আছে দেশের যে কোনও প্রান্তে যাওয়ার। তা ছাড়াও, সাংসদদের বাড়তি দায়িত্ব থাকে কোনও জায়গায় অনভিপ্রেত কিছু ঘটলে সেখানে পর্যবেক্ষণের জন্য যাওয়ার। ওদের )(বিজেপির) বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে কাল শিলচরে যা হল তা মালাফিডে অ্যাকশন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা অসম পুলিশের ব্যবহারের তীব্র নিন্দা করছি। গতকাল খবরটি পাওয়ার পর আমরা আশা করেছিলাম কেন্দ্রীয় সরকার এই ব্যাপারে নিজে থেকে আমাদের জানাবে, কঠোর পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু ২৪ ঘন্টা অতিক্রান্ত হয়েছে, কিছুই করা হয়নি। ছ’জন সাংসদের অধিকার খর্ব করা হয়েছে।”